সিলেটের গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুত সরবরাহে ১ হাজার ৪১৭ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

প্রকাশিত: ৮:০৬ পূর্বাহ্ণ, মে ১২, ২০১৬

ডেস্ক নিউজঃ
৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ৫ হাজার ৭২৭ কোটি ৪০ লাখ টাকার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। ৭টি প্রকল্পের মধ্যে সিলেট বিভাগের পল্লী এলাকায় নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে ১ হাজার ৪১৭ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সিলেট বিভাগের পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও আরইবি’র সদর দপ্তরে ভৌত সুবিধা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিক সম্মেলনে প্রকল্পগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
সিলেট বিভাগের পল্লী এলাকায় নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে ১ হাজার ৪১৭ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সিলেট বিভাগের পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও আরইবি’র সদর দপ্তরে ভৌত সুবিধা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি জানান, এসব প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে ২ হাজার ৭৬৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা সরকার দেবে। সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব তহবিল ৯ কোটি ৯৯ লাখ এবং প্রকল্প সাহায্য পাওয়া যাবে ২ হাজার ৯৪৮ কোটি ৬ লাখ টাকা।
সভায় ৩০২ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রো-পুওর ¯øাম ইন্টিগ্রেশন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় পৌরসভা ও মহানগর এলাকায় নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান ও অনানুষ্ঠানিক সেটেলমেন্টের মান উন্নয়ন করা হবে। একই সঙ্গে মংলা বন্দর থেকে রামপাল পর্যন্ত পশুর চ্যানেল ক্যাপিটাল ড্রেজিং প্রকল্পেরও অনুমোদন দিয়েছে একনেক কমিটি। ১৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কম্পানি লিমিটেডের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে নৌ পথে কয়লা পরিবহনের সুবিধার জন্য প্রকল্পটি বিশেষ অবদান রাখবে। তাই মংলা বন্দরের ৯ নম্বর জেটি থেকে উজানে ১৩ কিলোমিটার পর্যন্ত পশুর নদীর পর্যাপ্ত নাব্যতা সৃষ্টি করা হবে।দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১৭টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণের জন্যে ১০৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ১২২ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশ স্কাউটিং সম্প্রসারণ ও স্কাউট শতাব্দী ভবন নির্মাণ প্রকল্প, নদীর ভাঙন থেকে ভোলা জেলার চরফ্যাশন পৌর শহর সংরক্ষণ প্রকল্প (ব্যয় ২০৯ কোটি ৪ লাখ টাকা) এবং ৩ হাজার ৪০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস এনহ্যান্সমেন্ট প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।