দিরাইয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা সংস্কার করলো সোনালী ক্লাব

প্রকাশিত: ১১:৪১ অপরাহ্ণ, জুন ১, ২০২০

কালনী ভিউ ডেস্ক::
দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের হাতিয়া রাস্তায়
সামান্য বৃষ্টিতেই বার বার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা মেরামত করেছেন স্থানীয় একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন। সোমবার দিরাইয়ের কুলঞ্জ ইউনিয়নে হাতিয়া গ্রামের প্রধান রাস্তা হাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে নাচনী পর্যন্ত রাস্তাটি স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার করা হয়।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, দীর্ঘদিন মেরামত না করায় রাস্তাটি প্রতি বর্ষায়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গ্রামের প্রধান রাস্তা হওয়ায় রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করে ট্রলি, ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক, অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বেশ কিছু যানবাহন, রাস্তাটি পাকা না থাকায় একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তাটির অবস্থা আরও বেহাল অবস্থা হয়ে পড়ে। তাঁরা এই রাস্তাটি পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন।

স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামতের কাজ করেন কুলঞ্জ ইউনিয়নের হাতিয়া গ্রামের ‘সোনালী ক্লাব’ নামক একটি সংগঠন। উক্ত সংগঠনের কর্মী আকিকুর রহমান বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই বাড়ে দূর্ভোগ, ইঞ্জিন চালিত ট্রলি চলাচলের কারনে রাস্তায় বড় বড় গর্ত হয়েছে, মানুষ পায়ে হেঁটে চলাচল করতে পারছিল না, তাই আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে যারা ট্রলি চালান তাদেরকে কয়েকদিন এই রাস্তায় ট্রলি না চালানোর অনুরোধ করা হয়েছে, আকিকুর রহমান বলেন এমন দুর্ভোগ থেকে বাঁচতে আমরা নিজেরাই রাস্তাটির কিছু অংশ মেরামত করি।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, হাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে থেকে হাতিয়া মোকামবাড়ির মাজার গেইট পর্যন্ত রাস্তার পুরো অংশে বড় বড় গর্ত রয়েছে। এসব স্থানে ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক, অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ কোনো যানবাহনই চলাচল করতে পারে না। চলাচলের অনুপযোগী রাস্তাটি স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কারে এগিয়ে আসে সংগঠনের সদস্যরা। জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাসে বসে না থেকে আজ প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা সংগঠনের সদস্যবৃন্দ মেরামত করায় স্থানীয়রা সাধুবাদ জানান। অপরদিকে রাস্তার বেহাল অবস্থা ও স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তার সংস্কারের খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে যুক্তরাষ্ট্র মিশিগান মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মুতালিব ও কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবু ছালেহ রাস্তা সংস্কারের জন্য ১০ হাজার টাকা অনুদানের প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়াও অনুদান প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন হাতিয়া প্রবাসীরা।