ছাতকে ‍দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ২০

প্রকাশিত: ৪:৪৬ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৩, ২০২০

কালনী ভিউ ডেস্ক::
সুনামগঞ্জের ছাতকে দুই পক্ষের মধ্যে পূর্ব শত্রুতার জেরে হয়ে যাওয়া সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১২ জুন) সকালে উপজেলার ভাতগাঁও ইউনিয়নের ঝিগলী কুঞ্জনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। ঘটনায় দুই পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কুঞ্জনপুর গ্রামের শাহবাজ মিয়া মেম্বার ও আজিজুর রহমান মধ্যে বহুবছর ধরে একটি বিরোধ চলে আসছিলো। যার প্রেক্ষিতে শুক্রবার সকালে দুই পক্ষের লোকজন মুখোমুখি হলে তাদের মধ্যে কাটাকাটি হলে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করলে দুই পক্ষের প্রায় ২০ জন আহত হন।এসময় গুরুতর আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অন্যান্যদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং ঘটনায় এ পক্ষের লোকজন গুলি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ জানালে তার সত্যতা পায়নি পুলিশ।এদিকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ফারুক আহমদ সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোরকে জানান, সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৩ জন ওসমানী হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিয়ে ছাতক ফিরে গেছেন। হাসপাতালে কেউই ভর্তি নেই।

এছাড়া ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাজীব চক্রবর্তী সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোরকে জানান, ছাতকের সংঘর্ষের কোন রোগী সেখানে চিকিৎসা নিতে আসেননি।সংঘর্ষের আজিজুর রহমানের ছেলে মাছুম আহমেদ বলেন, শাহবাজ মেম্বারের লোকজন আমাদের উপর বিনা কারণে আক্রমণ করেছে। তাদের সাথে আমাদের পুরোনো একটি বিষয় নিয়ে ঝামেলা থাকায় তারা প্রায়ই আমাদের সাথে জোর করে মারতে আসে। আজকেও আমাদের উপর হামলা চালানো হয় সেখানে আমাদের কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং শাহবাজ গ্রুপের লোকজন আমাদের উপর গুলি চালিয়েছে।ভাতগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আওলাদ হোসেন বলেন, এই ‍দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় ৫ বছর ধরে বিরোধ চলে আসছে। কয়েকবার বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করা হলেও ব্যর্থ হয়েছি। শুনেছি আজকে সংঘর্ষে না কি গুলাগুলি হয়েছে তবে আমি বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত নয়।এ ব্যাপারে ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল বলেন, উপজেলার ঝিগলী কুঞ্জনপুর গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সেখানে আমাদের পুলিশের একটি দল গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ ঘটনায় গুলি চালানো হয়েছে বলে আমাদের জানানো হয়েছে, কিন্তু ঘটনাস্থলে আমরা তার কোন আলামত পায়নি।