স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নাম-পদবীর পরিবর্তন হচ্ছে না

প্রকাশিত: ১১:২৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩১, ২০২০

কালনী ভিউ ডেস্ক::
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং সেগুলোর পদবীর নামের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর। আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভা শেষে এ কথা বলেন তিনি। সোমবার বৈঠকে ‘স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচন পরিচালনা আইন-২০২০’ অনুমোদন দেয় সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। এ দিন ব্যক্তিগত কারণে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না আগের বৈঠকে নোট অব ডিসেন্ট দেওয়া নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।

সচিব বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোরর আইন সমন্বিত করে বাংলায় রুপান্তর করার উদ্যোগ নেয় কমিশন। নতুন প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায় সিটি করপোরেশনকে মহানগর সভা, পৌরসভাকে নগর সভা ও ইউনিয়ন পরিষদকে পল্লী পরিষদ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছিল। আর সিটি মেয়রের পদকে- মহানগর আধিকারিক; পৌর মেয়রকে পুরাধ্যক্ষ বা নগরপিতা, কাউন্সিলরকে পরিষদ সদস্য, ওয়ার্ডকে মহল্লা; উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানকে উপজেলা পরিষদের প্রধান, উপ-প্রধান এবং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে পল্লী পরিষদ প্রধান করার প্রস্তাব করা হয়েছিল।

সোমবারের বৈঠকে এ বিষয়টি থেকে কমিশন সরে আসে। ইসি সচিব বলেন, আমরা আইন বাংলায় রুপান্তর করলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের নাম ও পদবীর নামগুলো প্রচলিত শব্দগুলোই রাখা হবে। এক্ষেত্রে বর্তমানে ব্যবহৃত নাম ও পদবীতে কোনো পরিবর্তন হবে না।

তিনি বলেন, সরকারের অন্যান্য আইনের সঙ্গে যেখানে যেভাবে এই আইনের সম্পৃক্ততা রয়েছে, সেভাবেই এ আইনেও থাকবে।

পূর্বের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসাটা কমিশনের দুর্বলতার পরিচয় কি-না, জানতে চাইলে মো. আলমগীর বলেন, এটি একটি প্রস্তাবনা। তার উপরেই আলোচনা হচ্ছে। আইন প্রণয়ন করতে গেলে যতক্ষণ না সংসদে পাশ হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটিই হচ্ছে পরিবর্তনের। তাই এখন যা হচ্ছে তা চূড়ান্ত নয়। এটি আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে, কেবিনেটে যাবে, সংসদীয় কমিটিতে যাবে; সকল ধারেই খসড়াটির পরিবর্তন, পরিবর্ধন হতে পারে।

নাগরিক সমাজের মতামত নেওয়ার জন্য এটি শিগগিরই ওয়েব সাইটেও প্রকাশ করা হবে। এছাড়া রাজনৈতিকগুলোকেও খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ান জন্য চিঠি দেওয়া হবে। আবার স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন সংগঠনের কাছেও খসড়াটির ওপর মতামত দেওয়ার জন্য পাঠানো হবে। তাদের সকলের মতামতের ভিত্তিতেই খসড়া চূড়ান্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলেও জানান ইসি সচিব।