৩০ সেপ্টেম্বর দিরাই পৌরসভায় ৩ প্রকল্পের উদ্বোধন প্রশংসায় ভাসছেন মেয়র

প্রকাশিত: ৯:৩২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০

দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
দিরাই কলেজ রোড, পৌরসভার নান্দনিক ভবন, দাউদপুর থেকে পৌর ভবন হয়ে ধল রোড, ড্রেনেজ, শিক্ষার উন্নয়নসহ মহামারী করোনা সংকটে পৌরবাসীর পাশে থাকায় পৌরবাসীর সকলস্থরের জনতার প্রশংসায় ভাসছেন পৌর মেয়র মোশাররফ মিয়া।

কলেজ রোডের বাসিন্দা নুরুল আমিন সরদার বলেন, পৌরসভার ২২ বছরে আমাদের কলেজ রোডের চোঁখে পড়ার মতো কোনো উন্নয়ন হয়নি, বর্তমান মেয়র থানা পয়েন্ট থেকে বাস-স্টেশন পর্যন্ত সড়কের দুই দিকে বিশাল প্রশস্থ করে এবং মধ্যে ফুলের বাগানের আকৃতি করে বিভাগীয় শহরগুলোর আদলে যে সড়ক নির্মাণ করছেন তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। আমরা রাজনীতির উর্দ্ধে উঠে মেয়র মহোদয়ের মহৎ কাজের প্রশংসা করছি।

ধল রোড এলাকার বাসিন্দা হেলাল মিয়া বলেন, দাউদপুর থেকে পৌর ভবন হয়ে ধল রোড পর্যন্ত হাওরের জলরাশির বুকছিঁড়ে যে সুন্দর এবং টেকসই রাস্তা গড়ে উঠেছে তা নিঃসন্দেহে আমাদের হাওর এলাকার সৌন্দর্য অনেক টা বাড়িয়ে দিয়েছে, প্রতিদিন বিকেলে প্রকৃতি প্রেমিরা জড়ো হন স্রষ্টার সৃষ্টির অপুর্ব সৌন্দর্য উপভোগ করতে। আমরা পৌর মেয়র, কাউন্সিলর সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

দাউদ পুর আবাসিক এলাকার বাসিন্দা সালমান মিয়া বলেন, উপজেলার সকল প্রশাসনিক অফিস উপজেলা চত্বরে অবস্থিত থাকলেও, পৌরসভার তিনতলা বিশিষ্ট নান্দনিক ভবনটি আমাদের আবাসিক এলাকায় স্থাপন হওয়ায় আমাদের এলাকার সৌন্দর্য এবং ডিমান্ড অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে, আমাদের পৌর মেয়র সহ সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় দীর্ঘ ২২ বছর পর পৌরসভা নিজ ঠিকানায় নান্দনিক কারোকাজ সম্মলিত ভবন গড়ে তুলায় পৌর মেয়র মোশাররফ মিয়া সহ এ মহৎ কাজে জড়িত সবাই কে অভিনন্দন।

পৌর মেয়র মোশাররফ মিয়া বলেন, আমার প্রিয় নেতা বাংলাদেশের রাজনীতির পূরোধা, জাতীয় নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের নেতৃত্ব তৃনমূল থেকে রাজনীতি করে আসছি, প্রিয়নেতার নির্দেশে এবং বর্তমানে নেতার সুযোগ্য উত্তরসূরী ড.জয়া সেনগুপ্তার নেতৃত্বে পৌরসভার উন্নয়ন করে যাচ্ছি। ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে থানা রোড থেকে বাস-স্টেশন পর্যন্ত বিভাগীয় এবং জেলা পর্যাযের আদলে চোঁখ জুড়ানো টেকসই রাস্তা করেছি। ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২২ বছর পড়ে হলেও পৌরসভার নান্দনিক ভবন গড়ে তুলেছি, বুধবার তিনটি প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে। ভাটি অঞ্চলের শিক্ষার প্রসারে পৌরসভার নিজস্ব একটি স্কুল পরিচালনা করা ব্যতীত বিভিন্ন শিক্ষা মূলক কাজ করে যাচ্ছে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে কখনো নিজের সুখের চিন্তা করিনি, মহামারী করোনায় সবসময় অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি, পৌরসভার এবং ব্যক্তিগত ভাবে সহায়তার চেষ্টা করেছি। কথা বলার এক পর্যায়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে মেয়র বলেন, জনগণের যে ভালোবাসা পেয়েছি তা কখনো ভুলার নয়, পৌরবাসীর ভালোবাসা আমাকে আজীবন জনসেবায় অনুপ্রেরণা যোগাবে। জনগণের ভালোবাসাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় সম্পদ। যতদিন বেঁচে থাকবো জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখব।