,

পদ হারিয়ে যা বললেন ওমর ফারুক চৌধুরী

কালনী ভিউ ডেস্ক::
সংগঠনের নেতাদের ক্যাসিনোকাণ্ডে যুবলীগের চেয়ারম্যানের পদ হারানো ওমর ফারুক চৌধুরীর সব ব্যাংক হিসাবে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবের পাশাপাশি তার দুই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের লেনদেনও স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিত করা হয়েছে তার স্ত্রী ও তিন সন্তানের ব্যাংক হিসাবের লেনদেনও।

৭১ বছর বয়সী এ নেতা দীর্ঘ সাত বছর চেয়ারম্যান পদ আঁকড়ে ছিলেন সংগঠনটির। নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের কারণে শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হলো তাকে।

যুবলীগের চেয়ারম্যানের পদ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর দুদিন চুপচাপ ছিলেন ওমর ফারুক।

সোমবার তিনি গণমাধ্যমকে প্রতিক্রিয়া দেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি তো শাস্তি পেয়েছি-ই। কয়েক দিন ধরে গৃহবাস এবং রোববার দল থেকে গেট আউট। কষ্ট যা পাওয়ার পেয়েছি। সর্বোচ্চ কষ্ট পেয়েছি। এখন তো আর রাজনীতি করতে পারব না, নতুন যাত্রা শুরু করতে হবে।’

তিনি যোগ করেন, ‘আপনারা (সাংবাদিক) লেখনীর মাধ্যমে প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, আমি আর দল করতে পারব না, রাজনীতি করতে পারব না। মিডিয়া ট্রায়াল শেষ। আমাকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এর মানে ‘ইউ আর নো মোর’। এখন আমি যতই সত্য কথা বলি, তা মিথ্যা ফিকশন হয়ে যাবে। তাই আর কিছু বলতে চাই না।’

ক্যাসিনোকাণ্ডে নাম আসার পর পদচ্যুত হওয়ার আগেই আড়ালে চলে যান ওমর ফারুক। প্রায় এক মাস যাননি দলীয় কার্যালয়ে। আসন্ন কংগ্রেসের কার্যক্রম থেকেও নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন। এ বিষয়ে ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, গণমাধ্যমে যা লেখা হচ্ছে, তাতে কি আর সানন্দে বাইরে যাওয়া যায়? সে জন্য বাইরে যাই না, ঘরেই থাকি। আমার উচিত সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় নিজেকে স্বচ্ছ প্রমাণ করা, সেই প্রক্রিয়াতেই আছি।

ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের কাছ থেকে মাসিক মাসোহারা নেয়ার অভিযোগের বিষয়ে ওমর ফারুক বলেন, ‘সম্রাট রিমান্ডে কী বলেছেন তা আপনি নিজে দেখেছেন বা শুনেছেন কী? উনি (সম্রাট) যা খুশি বলতে পারেন। এসব তথ্য আমলে নিয়ে বিচারপ্রক্রিয়া কেমন হয় তা দেখার অপেক্ষায় আছি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই ক্যাটাগরীর আরো খবর