,

সাক্ষাৎকারে সু.গঞ্জের সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী কমরুন নেছা খাতুন : ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আমিই জাতির জনকের গলায় মাল্যধান করি

আল-হেলাল,সুনামগঞ্জ থেকে :
“কোন কিছু পাওয়ার জন্য নয় একান্তই মনের তাগিদে ৬ দফা ও ১১ দফা বাস্তবায়নের জন্য আমি ছাত্রলীগ করেছি। কিন্তু আজ দেখছি সুনামগঞ্জের মাটিতে জাতির জনকের আদর্শে আমরা যারা আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগকে সংগঠিত করার জন্য সবরকম প্রচেষ্টা চালিয়েছিলাম তাদের কেউই আওয়ামীলীগে নেই। চক্রান্ত করে কৌশলে ত্যাগী নেতাদেরকে দূরে রাখা হয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে মূলধারার আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠার দাবী জানাই। সম্প্রতি সুনামগঞ্জ শহরের কাজিরপয়েন্টস্থিত বাসভবনে এ প্রতিবেদকের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে একথাগুলো বলেছেন,১৯৭১-৭২ ইং সনে সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মালেক-ইছকন্দর রাজা প্যানেলের এজিএস পদপ্রার্থী সাবেক মহকুমা ছাত্রলীগ নেত্রী কমরুন নেছা খাতুন। সুনামগঞ্জে ছাত্রলীগের নারীনেত্রীদের নেটওয়ার্কের অনুসন্ধান করতে গিয়ে এ প্রতিবেদকের কথা হয় মহকুমা ছাত্রলীগের ২ বারের সভাপতি ও সাবেক আহবায়ক এবং বর্তমান জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারন সম্পাদক জননেতা এডভোকেট মতিউর রহমান পীরের সাথে। তার কাছ থেকে ছাত্রলীগ নেত্রী কমরুন নেছা খাতুন এর নামটি জানতে পেরে বহু অনুসন্ধানের পর সোজা তার বাসায় পৌছেন এ প্রতিবেদক।
ছাত্রলীগ নেতাদের কাছে কমরুন আপা বলে পরিচিত কমরুন নেছা খাতুন ১৯৫০ সালের ১৫ জানুয়ারী জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার নূরপুর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবী আব্দুর রশীদ ও মাতা মৃত ফাতেমা খাতুন। ৬ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে তিনি হচ্ছেন পরিবারের সপ্তম সন্তান। তার আপন সহোদর আলী আকবরও সুনামগঞ্জ কলেজে ছাত্রলীগ রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ১৯৯৮ সালে মারা যান ছাত্রলীগ নেতা আলী আকবর। তার বড় ভাই আলী আমজদ ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে ৫নং সেক্টরের অধীনস্থ সেলা সাবসেক্টরের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তার অধিনায়ক ছিলেন ক্যাপ্টেন এ.এস হেলাল উদ্দিন ও কোম্পানী কমান্ডার একই উপজেলার হরিনাপাটি গ্রামের শহীদ চৌধুরী। ২০১২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর মারা যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আমজাদ। ছাতক উপজেলার মধ্য গনেশপুর নিবাসী সাবেক বিআরডিবি কর্মকর্তা মোঃ সুজ্জাদুর রহমান এর সাথে জেলা শহরে অবস্থানকালেই তার বিবাহ হয়। বর্তমানে তারা ২ কন্যা ও ১ ছেলের জনক-জননী। তাদের একমাত্র পুত্র জিল্লুর রহমান সোহাগ ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের সংগঠন ফাড়িয়া সুনামগঞ্জের সভাপতি। শহরের ষোলঘর কাজিরপয়েন্ট আবাসিক এলাকার সুরমা ১৪নং বাসভবনে তারা স্বপরিবারে বসবাস করেন।
১৯৫৫ সালে সুনামগঞ্জ মহকুমা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটির সক্রিয় নেতা,চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শহরের পরিচিত মুখ ব্যবসায়ী আফাজ মিয়া ছিলেন তার ফুফাতো ভাই। ১৯৬৭ সালে লেখাপড়ার উদ্দেশ্যে তিনি গ্রামের বাড়ী ছেড়ে ফুফুর বাড়িতে আসেন। বড় ভাই আফাজ মিয়ার নির্দেশে ও ছাত্রলীগ সভাপতি নুরুজ্জামান চৌধুরী শাহীর অনুপ্রেরণায় তিনি গার্লস হাইস্কুলে অধ্যয়নকালেই যোগ দেন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে। দক্ষ সাংগঠনিক প্রতিভার অধিকারী হিসেবে ছাত্রলীগের পতাকাতলে সমবেত করেন এস.কে রওশনারা (বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী), হাছননগর নিবাসী কমলা চৌধুরী,হা¯œা কাজী,লায়েকা বেগম,উকিলপাড়া নিবাসী এডভোকেট শাহানা চৌধুরী (আওয়ামীলীগ নেতা হায়দার চৌধুরী লিটনের বড় বোন),অন্য জেলার বাসিন্দা সেলিনা বেগম,আইভী পূরকায়স্থ,সোমপাড়া নিবাসী রত্না ভদ্র ও স্কুল ছাত্রী পলি বেগমসহ নাম না জানা আরো অনেক ছাত্রীকে।
একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন আফাজ মার্কেট,পুরাতন কলেজ ও জেলা পরিষদ রেস্টহাউজেই আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের সভা সমিতি সেমিনার হতো। আওয়ামীলীগের রাজনীতি পরিচালনার জন্য সবচেয়ে বেশি অর্থের যোগানদাতা ছিলেন ব্যবসায়ী আফাজ মিয়া,মতছিন মিয়া ও আরপিননগর নিবাসী তারা মিয়া চৌধুরী এ ৩ ব্যক্তি। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে আওয়ামীলীগ ও স্বাধীন বাংলা সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের নেতাদের নির্দেশে জীবনের ঝুকি নিয়েই শহরে থেকে যান আফাজ মিয়া। শহরে বসবাস করলেও তিনি ভারতের শরনার্থী ক্যাম্পে নিয়মিত টাকা পয়সা ও খাদ্যের যোগান দিতেন বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা উত্তোলন করে। বিষয়টি স্থানীয় শান্তি কমিটি ও দালাল রাজাকারদের কাছ থেকে জেনে পাকবাহিনী তাকে জোরপূর্বক ধরে আনে শহরের ট্রাফিক পয়েন্টে। এবং প্রকাশ্য দিবালোকে তাকে অমানুষিক নির্যাতন করে। জ্বালিয়ে দেয় তাঁর বাড়িঘর। পরে দেশ স্বাধীন হলে মুক্তিযোদ্ধারা বিশেষ করে পাগল মেজর মুত্তালিব এর নির্দেশে স্বাধীনতা বিরোধী অভিযোগে তাঁকে জেলে নেয়। তার একমাত্র জীপগাড়িটি পিটিস্কুল ক্যাম্পে নিয়ে রাখা হয়। পরে ছাত্রলীগ সভাপতি সুজাত আহমদ চৌধুরী,নুরুজ্জামান চৌধুরী শাহী ও আলী আকবরগংদের সহযোগীতায় স্বাধীনতা বিরোধী অপবাদ এবং কারাঘার থেকে মুক্তি পান তিনি। তাঁর জীপগাড়িটি একবার পাঞ্জাবীরা ভেঙ্গে দেয়। আরেকবার হস্তান্তর করে থানায়। পরে এটি ছাত্রলীগ নেতারা সাংগঠনিক কাজে ব্যবহার করেন।
১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ এমএনএ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী ছিলেন দেওয়ান ওবায়দুর রাজা চৌধুরী। এ নির্বাচন পরিচালনার জন্য কেন্দ্র থেকে নজরুল ইসলাম ও সেন্টু নামের দুজন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতাকে সুনামগঞ্জ পাটানো হয়। তারা উঠেন দেওয়ান সাহেবের বাসায়। নির্বাচন নিয়ে দেওয়ান সাব ও তার পরিবার অসম্ভব ব্যস্ত হয়ে উঠায় কেন্দ্রীয় মেহমানদের ঠিকমতো আদর আপ্যায়ন করার অসুবিধা হওয়ায় ছাত্রলীগ নেতা নুরুজ্জামান চৌধুরী শাহী মেহমানদেরকে আফাজ মিয়ার বাসায় স্থানান্তর করেন। নিয়মিত খাবার দাবার পরিবেশনসহ তখন তাদেরকে দেখাশুনা করতেন ছাত্রলীগ নেত্রী কমরুন নেছা খাতুন। ১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ সদর আসনে নৌকার মনোনয়ন নিয়ে আওয়ামীলীগ প্রার্থী হিসেবে জনাব আব্দুজ জহুর সাহেব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে জহুর সাহেবের স্ত্রীকে নিয়ে নৌকার পক্ষে গ্রামে গ্রামে গণ সংযোগে যেতেন এই ছাত্রলীগ নেত্রী।

আওয়ামীলীগের মাঠ পর্যায়ের নেতা সাংবাদিক রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আব্দুল হাই হাছন পছন্দ মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ওৎপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন মা মাটি ও মানুষের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে উল্লেখ করে কমরুন নেছা খাতুন বলেন,সেদিন ছিল ১৯৭৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের কোন একটি দিন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ঐদিন হেলিকপ্টারযোগে জীবনের শেষবারের মতো সুনামগঞ্জে শুভাগমন করেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান। দলীয় প্রধান ও রাষ্ট্রনায়কের সম্মানার্থে সুনামগঞ্জের মুক্তিকামী ছাত্রজনতার পক্ষ থেকে এক বিশাল গন সংবর্ধনা সমাবেশ এর আয়োজন করা হয়। সংবর্ধনা সমাবেশটিকে সাফল্যমন্ডিত করার লক্ষ্যে সাবেক মন্ত্রী অক্ষয় কুমার দাসকে সভাপতি ও মুহাম্মদ আব্দুল হাইকে সাধারন সম্পাদক করে অভ্যর্থনা সমিতি নামে ১টি সংবর্ধনা কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সভাপতি সম্পাদকের যৌথ নামে জাতির জনকের শুভাগমন বার্তা উপলক্ষ্যে ১টি হ্যান্ডবিল প্রকাশিত হয়। প্রচারপত্রটির নিম্নে লেখা হয় সৈয়দ দেলওয়ার হোসেন আহবায়ক প্রচার সাবকমিটি কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত এবং মোর্শেদী প্রেস বাসষ্ট্যান্ড সুনামগঞ্জ হতে মুদ্রিত। সুনামগঞ্জ এটিএম ফিল্ডে অনুষ্ঠিত ঐ সংবর্ধনা সমাবেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদ ও নৌপরিবহন মন্ত্রী এমএজি ওসমানীসহ কেন্দ্রীয় ও সিলেট জেলা নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর সফরসঙ্গী হন। সাবেক মন্ত্রী অক্ষয় কুমার দাশের সভাপতিত্বে ও আব্দুল হাই সাহেবের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত সমাবেশে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে হোসেন বখত,কাজী বশির উদ্দিন নানু মোক্তার,আছদ্দর আলী মোক্তার,আমার ভাই আফাজ উদ্দিন আহমদ,ছাত্রলীগ নেতা সুজাত আহমদ চৌধুরী,নুরুজ্জামান চৌধুরী শাহী,লালবাহিনী প্রধান শফিকুল হক চৌধুরী বাচ্চু ও স্কুল ছাত্রলীগ নেতা পীর মতিউর রহমানসহ নাম না জানা আরো অনেক নেতাকর্মীরা সংবর্ধনা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। ঐ সভায় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আমিই জাতির জনক এর গলায় মাল্যদান করি। এসময় সুনামগঞ্জে কোন ফুলের দোকান ছিলনা। নুরুজ্জামান চৌধুরী শাহী ভাই সিলেট তেকে ফুলের তোড়া এনে দেন।
রাজাকার আলবদর কর্তৃক আফাজ সাহেবের বাসা থেকে লুটে নেয়া শখের খাবার টেবিল উদ্ধার প্রসঙ্গে তিনি বলেন,আমার ভাইয়ের সর্বস্ব লুট করে নিয়েছিল পাক বাহিনী ও তার দোসররা। দেশ স্বাধীনের পর বেড়াতে যেয়ে আমাদের শখের সেই খাবার টেবিলটি দেখতে পাই সুনামগঞ্জ কলেজের অধ্যাপক রঞ্জু স্যারের ডেইরী হোটেল সংলগ্ন বাসায়। রঞ্জু স্যারের স্ত্রী স্বপ্না দে এই টেবিলটিতেই আমাকে নাস্তা দেন। পরে আমি যখন টেবিলটি আমাদের বলে দাবী করি তখন স্বপ্না দে এই টেবিলটি আমাদেরকে ফেরত দেন।
জীবনের শেষ সায়াহ্নে এসে ছাত্রলীগ নেত্রী কমরুন নেছা খাতুন বলেন,আমি নেত্রী বা দলের কাছে কিছুই চাইনা। দোয়ারাবাজার থানার নূরপুর গ্রামের একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা ভ্রাতা আলী আমজদ এর নামে একটি সড়ক এর নামকরণ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আমজদের কবরটিকে সুরমা নদীর ভাঙ্গন হতে স্থানান্তর করে সংস্কারসহ সংরক্ষণ এর জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করি। এবং এ দাবী জানাই এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে।
আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের কার্যক্রম নিয়ে অনেক মূল্যবান দলিল ছিল কমরুন নেছা খাতুন এর কাছে। বর্তমানে সবগুলো না থাকলেও তিনি এখনও সযতেœ রেখেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সুনামগঞ্জ কলেজ শাখার একটি লিফলেট। এতে দেখা যায়,১৯৭১-৭২ইং সনে সুনামগঞ্জ কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল নিয়ে অংশগ্রহন করে ছাত্রলীগ। ঐ নির্বাচনে কোন পদেই ছাত্রলীগ বিজয়ী হতে পারেনি। তবে ছাত্রলীগের পক্ষে সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু হয়েছিল প্রবলভাবে। নির্বাচনে অংশ নেয়া ছাত্রলীগ প্যানেলের সেই লিফলেটটির একটি কপি তার মাধ্যমই প্রতিবেদকের হস্তগত হয়। ঐ প্রচারপত্রটিতে উল্লেখ করা হয়,“জয় বাংলা,জয় ছাত্রলীগ,জয় মালেক ইছকন্দর রাজা কেবিনেট। কলেজ সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগ মনোনিত প্রার্থীদের নামের তালিকা:-
১৯৭১-৭২ সাল
১। সহ-সভাপতি-মোঃ আব্দুল মালেক ২য় বর্ষ স্মাতক কলা।
২। সাধারন সম্পাদক-দেওয়ান ইস্কন্দর রাজা চৌধুরী (সুবক্ত রাজা)
৩। সহ-সাধারন সম্পাদিকা-মিস্ কমরুন নেছা খাতুন,১ম বর্ষ স্মাতক কলা।
৪। ছাত্রী মিলনায়তন সম্পাদক-বাবু প্রদীপ কুমার রায় (সেন্টু),১ম বর্ষ কলা
৫। ছাত্রী মিলনায়তন সম্পাদিকা-মিস্ এস.কে রৌশনারা বেগম ১ম বর্ষ ¯œাতক কলা
৬। ক্রীড়া সম্পাদক-মোঃ আছদ্দর আলী,২য় বর্ষ বাণিজ্য
৭। নাট্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক-মোঃ মইন উদ্দিন চৌধুরী,১ম বর্ষ কলা
৮। বিতর্ক ও আলোচনা সম্পাদক-মোঃ জামসেদ আলী,১ম বর্ষ ¯œাতক কলা।
৯। সাহিত্য ও ম্যাগাজিন সম্পাদক-মোঃ নুরুজ্জামান চৌধুরী (শাহী) ১ম বর্ষ কলা
১০। সমাজকল্যাণ সম্পাদক-মোঃ আব্দুস শহীদ,১ম বর্ষ কলা।
বাংলার রায় বাঙ্গালীর রায় ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগ মনোনিত প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে ৬ দফা ও ১১ দফা বাস্তবায়িত করুন ও কলেজ সমস্যার সমাধান করুন। ছাত্রলীগের জয় হবেই হবে। জয় বাংলা,জয় ছাত্রলীগ।
বিনীত
মইন উদ্দিন সফিকুল চৌধুরী
সেক্রেটারী ইলেকসন পরিচালনা কমিটি। প্রাক্তন জেনারেল সেক্রেটারী
ও ছাত্রলীগ কলেজ ইলেকসন পরিচালক।
খালেদ,আজিজ,বশির,আকামত,সাহানা,হাস্..,সেলিনা কর্তৃক প্রচারিত,গুলিস্তান প্রেস,সুনামগঞ্জ।”

এ নির্বাচনে ভিপি পদপ্রার্থী আব্দুল মালেক সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার মার্কুলী গ্রামের বাসিন্দা যিনি ৫ বছর আগে মৃত্যুবরন করেন। জিএস পদপ্রার্থী দেওয়ান ইছকন্দর রাজা চৌধুরী সুবক্ত রাজা সুনামগঞ্জ পৌরসভার তেঘরিয়া আবাসিক এলাকার বাসিন্দা যিনি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি রব সুনামগঞ্জ জেলা শাখার বর্তমান সভাপতি। এজিএস পদপ্রার্থী কামরুন নাহার দোয়ারাবাজার উপজেলার নূরপুর নিবাসী। উক্ত প্যানেলের বিরুদ্ধে জয়লাভ করে ছাত্র ইউনিয়নের আব্দুস শহীদ চৌধুরী ও সাইফুর রহমান সমছু প্যানেল। নির্বাচিত ভিপি আব্দুস শহীদ চৌধুরী বর্তমানে মৃত। তিনি দিরাই উপজেলার তাড়ল গ্রাম নিবাসী। পরে তিনি বিএনপি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। আজন্ম এই দলের সাথে নিবেদিত থেকে বলিষ্ট ভূমিকা রাখেন। সুনামগঞ্জ ২ নির্বাচনী এলাকা দিরাই শাল্লা আসনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে গত নির্বাচনে মনোনয়ন লাভকারী ব্যারিস্টার তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেল এর পিতা মরহুম আব্দুস শহীদ চৌধুরী। নির্বাচিত জিএস সাইফুর রহমান সমছু সুনামগঞ্জ শহরের আরপিননগরের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই ক্যাটাগরীর আরো খবর