,

দিরাইয়ে পরিবহন সমস্যায় ভোগান্তিতে পরীক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী: ফেসবুকে তোলপাড়

দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
সারাদেশের ন্যায় দিরাই উপজেলায় জেএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। দিরাই মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, ভাটিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, ব্রজেন্দ্রগঞ্জ আরসি উচ্চ বিদ্যালয়সহ ৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এবারের পরীক্ষায় ইজিবাইক ও অটোরিকশা বন্ধ থাকায় পরীক্ষায় যথা সময়ে পরীক্ষার্থীর কেন্দ্রে আসা নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অভিভাবকরা। একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ইজিবাইক দুর্ঘটনায় সুজন দে নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হওয়ায় হঠাৎ পৌরশহরে ইজিবাইক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন পরীক্ষার্থী-অভিভাবক ও এলাকাবাসীরা। গত ২৩ অক্টোবর দিরাই মজলিশপুর সড়কে বেপরোয়া ইজিবাইক চাপায় প্রাণ হারায় সুজন দে, এরই জেরধরে সুজনের সহপাঠী ও স্বজনরা ঘাতকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেন। এ ঘটনায় বিগত ১০ দিন যাবত অটোরিকশা ও ইজিবাইক চলাচল বন্ধ থাকায় যাতায়াত নিয়ে বিপাকে পড়েছেন রাজানগর, সরমঙ্গল করিমপুর ইউনিয়নের হাজার হাজার স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। হতাশার সুরে একাধিক অভিভাবক জানান, কর্নাগাও থেকে ছেলেকে পরীক্ষায় নিয়ে যেতে হিমশিম খেতে হয়, দুই থেকে তিন ঘন্টা সময় নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিতে হয়, ইজিবাইক ও অটোরিকশা বন্ধ থাকায় যানবাহন পাওয়া যায় না, দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর গাড়ি পেলেও সিট না থাকায় বাধ্য হয়েই অপেক্ষা করতে হয় অন্য গাড়ির। সবমিলিয়ে ইজিবাইক ও অটোরিকশা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর ভোগান্তির শেষ নেই। পৌরসভার সুজানগর গ্রামের বাসিন্দা মেহেদী হাসান বলেন ইজিবাইক চাপায় সুজন দে নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনা খুব দুঃখজনক, ঘাতকের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি হউক এটা আমরা চাই, কিন্তু জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে এর কোন সমাধান হবে না, ইজিবাইক ও অটোরিকশা চলাচলে প্রয়োজন সুপরিকল্পিত নীতিমালার। আমরা আশা করবো পৌর মেয়র, প্রশাসনের কর্মকর্তারা আইনের ভিতরে জনদুর্ভোগ কমিয়ে আনতে সুপরিকল্পিত একটি নিয়মাবলীর মধ্যদিয়ে অটোরিকশা ও ইজিবাইক চলাচলের সুযোগ করে দিবেন। দিরাই বাজারের ব্যবসায়ী উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের বাঙ্গালগাও গ্রামের বাসিন্দা হেলেন মিয়া বলেন রাত নয়টায় দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যেতে রাত বাজে ১১ টা, ইজিবাইক থাকলে ১০ টার মধ্যেই বাড়ি ফিরে যাওয়া যেত, যেখানে ১০ টাকার বাড়ায় বাড়ি যাওয়া যেত ইজিবাইক ও অটোরিকশা না থাকায় ৫০ টাকা দিয়ে মোটর সাইকেল যোগে যেতে হয় তারপরও পাওয়া যায় না, আমাদের যাতায়াত সুবিধার্থে অনতিবিলম্বে একটি নীতিমালার মধ্যদিয়ে ইজিবাইক ও অটোরিকশা চলাচলের ব্যবস্থা করার আহবান জানাচ্ছি। অপরদিকে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ইজিবাইক ও অটোরিকশা চলাচলের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তোলপাড় তুলেছে।

দিরাই চন্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা, যুক্তরাজ্য প্রবাসী,কমিউনিটি নেতা সাহিদুল ইসলাম নজরুল তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন

আজকের আমার লেখাটি দিরাই মজলিশপুর সুজনের স্মরণে।

মাথা ব্যাথার জন্য যেমন মাথা কেটে ফেলা হয় না, তেমনি এক্সিডেন্টের কারণে পুরো যাতায়াত ব্যবস্থাকে নির্মল করা যায় না।

কয়েকটি বিষয়কে সামনে রেখে যদি আন্দোলন করা যায় তাহলে আগামীতে এই ধরনের এক্সিডেন্ট অনেকটা কমে আসবে এবং ধীরে ধীরে গতানুগতিতে কমতে থাকবে। ড্রাইভিং এর ব্যাপারটা পুরোই প্রশিক্ষণ, টেইক এবং কেয়ারিং এর ব্যাপার। একটি লোক ড্রাইভিং সিটে বসার আগে তাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ রোড সম্বন্ধে প্রশিক্ষণ দেওয়া অপরিহার্য তা না হলে এক্সিডেন্ট মুক্ত রাস্তা অসম্ভব।

একটি রাস্তা কে নিরাপদ রাখতে হলে শুধু ডাইভারের ভূমিকা নয় যারা রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলাফেরা করেন তাদের ও ভূমিকা অপরিহার্য। তাই নিরাপদ রাস্তার জন্য উভয় পক্ষকের টেইক কেয়ারিং নিয়ে চলাফেরা করা অপরিহার্য।

যে রাস্তার সুজন এক্সিডেন্ট হয়েছে সেই রাস্তা দিয়ে যানবাহন, মানুষ, ঘোড়া,গরু, সবাইর জন্য উন্মুক্ত‌ আমার প্রশ্ন এইরকম একটি রাস্তাকে কিভাবে আপনারা এক্সিডেন্ট মুক্ত রাখবেন?
তাই আমাদের দাবি উত্থাপন করা উচিত যে মানুষ চলাফেরার জন্য আলাদা ফুটপাত নির্মাণ করা হোক, হয়তো সময় লাগবে কিন্তু এইটাই এক মাএ স্থায়ী সমাধান, তা না হলে এক্সিডেন্ট মুক্ত রাস্তা সম্ভব না।

সুজন যেখানে এক্সিডেন্ট করে মারা গেছে সেখানে তার নামে একটি মেমোরিয়াল স্মৃতিসৌধ বানানো যাতে করে মানুষ এই ঘটনা কে স্মরণ রাখে এবং এই রকম ঘটনা আবার এই রাস্তায় পুনরাবৃত্তি না হয়।

আমাদের আন্দোলনের ইস্যু হতে পারে

১) গাড়ির লিগেল ডকুমেন্টস সহ এম ও টি আপটুডেট রাখা।
২) পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রশিক্ষিন ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু না করা।
৩) রাস্তায় স্পিড লিমিট ফলো করা
৪) মানুষ চলাফেরার জন্য আলাদা ফুটপাত নির্মাণ করা
৫) ফুটপাত নির্মাণ এর আগ পর্যন্ত উভয়পক্ষকে টেইক কেয়ারিং সাথে রাস্তাঘাটে চলাফেরা করা।

 

সিলেটস্থ দিরাই ছাত্র কল্যাণ পরিষদের সভাপতি পাবেল হাসান ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন

ইজিবাইক চলাচলের পক্ষে আমি!

##ফ্যাক্ট ইজি বাইক চলাচল বন্ধ##
মাথায় উকুন হলে মাথা কেটে ফেলতে হয়না,সাবান শেম্পু ব্যবহার করা হলো বুদ্ধিমানের কাজ.
পৌরসভার গ্রামগুলোতে কি বিশ্বরোড ইয়া ইয়া বড় বড় ট্রাক আর বাস চলাচল করে….? বলবেন না!
প্রতিনিয়তই বিশ্বরোডে এক্সিডেন্ট হয়ে কত মানুষ মারা যায়, তার হিসেব আমরা কয়জনে রাখি,
আজ অবধি কি কেউ প্রতিবাদ করে বলেছে ট্রাক বাস বন্ধ চাই —– না কেউ বলেনি!
কেন দুর্ঘটনা ঘটলো? কি তার কারন এটা দেখার কেউ নেই, বলার ও কেউ নেই?
অদক্ষ চালক, রাস্তা ভাঙ্গাচুরা, এ এলাকার মানুষের সচেতনতার অভাব এ বিষয় নিয়ে কে কথা বলবে? কে কলম ধরবে—?এটার ফিকির নেই!
আজ শত শত যুবক বেকার একটি মাত্র দুর্ঘটনায়, অনেক পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে—
এর সমাধানে কি কেউ এগিয়ে আসবেনা…..?

দিরাই বাজারের ব্যবসায়ী ওবায়দুল হক চৌধুরী লিখেন

প্রসঙ্গ দিরাই উপজেলা।

অনেক বলছে ইজি বাইক বন্ধের কথা আসলে কি সঠিক? আমি বলবো অদক্ষ চালকদের বাদ দিয়ে সুদক্ষ চালক নিয়োগ দেওয়ার জন্য।আবার অনেকে দাবি জানাচ্ছেন ইজিবাইক বন্ধের আমি মনে করি তা-ও ঠিকনা কারণ আমাদের শহরে ও আশপাশে চলার অন্যতম যানবাহন ইজিবাইক তাছাড়া আছে রিকশা যেটা আমার কাছে আরো বেশি বিপদজনকও ভাড়া ডাকাত মনে হয়।আসলে এক্সিডেন্ট কমাতে হলে দক্ষ ও লাইসেন্স দেখে গাড়ি চালানোর অনুমতি দিলে ভাল হয়,এবং ইজিবাইক গুলোর গতি নির্ধারণ করে দেওয়ার জন্য, এবং ইজিবাইক গুলোর মাঝে ছয়জনের বেশি যাত্রী না উঠার জন্য, সাথে সাথে জনগণকে ও সচেতন হতে হবে, তাছাড়া যেকোনো শহরে এক্সিডেন্ট এর অন্যতম কারণ হল রাস্তার বেহাল অবস্থা।

দিরাই অনলাইন প্রেসক্লাবের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী লিখেন

দিরাইয়ে অটোরিকশা ইজিবাইক বন্ধের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়!

সম্প্রতি একটি দূ্র্ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিরাইয়ে অটোরিকশা ইজিবাইক বন্ধের কারনে কয়েকশত যুবক বেকার হয়ে পড়ায় কয়েকশত পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে।ভাটির জনপদ দিরাই,এখানে খেটে খাওয়া দিন মজুর মানুষের সংখ্যাই বেশি।এখানকার বেশির ভাগ মানুষ নিম্ন অায়ের।গত কয়েক বছর ধরে ইজিবাইক এবং অটোরিকশা চালু হওয়ার ফলে অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে এবং তারা দিব্যি তাদের পরিবারের মুখে খাবার তুলে দিতে পারতেছে। আগে যে ছেলে সারা দিন কাজ করেও ১০০/২০০ টাকা আয় করতে পারত না অটোরিকশার কল্যাণে তারা অনায়াসে দৈনিক ৫০০-৭০০ টাকা আয় করতে পারত।এবং বিশেষ করে এই এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষের সহজে চলাচল করতে পারতো।অটোরিকশা বন্ধের কারনে এলাকার নিম্ন অায়ের মানুষগুলো চরম দূর্ভ্যোগর মধ্যে পড়েছে।মাথা ব্যথা হলে মাথা কেটে ফেলা কোন সমাধান নয়,বরং মাথা ব্যথা নিরসনের উপায় খঁুজতে হবে।দূর্ঘটনা কোন কাঙ্ক্ষিত ঘটনা না।কেউ ইচ্ছে করে দূর্ঘটনা ঘটায় না বা কাউকে মেরে ফেলে না।অাজকে মহাসড়কে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনায় অসংখ্য প্রাণহানি হইতেছে,কই এক দিনও তো কেউ যানবাহন বন্ধের জন্য অান্দোলন করলেন না।দিরাই-মদনপুর রাস্তায় অবিরত দূর্ঘটনা ঘটতেছে,বাস,ট্রাক,লেগুনা,সি এন জি একসিডেন্ট করতেছে সেগুলো বন্ধের জন্য এক দিন ও তো অান্দোলন করলেন না।অার বিশেষ করে ইজিবাই অটোরিকশা নাবালক ছেলেরা চালায় বলে যে যে অভিযোগে এগুলো বন্ধ করা হলো;এখানেই অামার প্রশ্ন,লেগুনা,সি এন জি,এমন কি নাবালক ছেলেরা চালায় না?এগুলো কি দূর্ঘটনায় পতিত হয় না?তাইলে যে কারনে ইজিবাইক,অটোরিকশা বন্ধ হলো সেই একই কারনে লেগুনা,সি এন জি কেন বন্ধ হবে না।ইজিবাইক অটোরিকশা চলাচলের মাধ্যমে এই এলাকার বেকার যুবকেরা যেমন পেয়েছে কর্মসংস্থানের সুযোগ তেমনি গরীব মানুষেরা পেয়েছে যাতায়াতের সহজ,পরিবহন ব্যবস্থা।যার কারনে মানুষ অতিরিক্ত ভাড়া এবং অতিরিক্ত সময় অপচয় থেকে বেঁচে যায়।বাস,লেগুনা,সি এন জি এইসব যানবাহন বিশেষ করে বদলপুর,কর্ণাগাও,সুজানগর থেকে পেসেঞ্জার নিতে চায় না।ভরার গাও, চক বাজার থেকে লেগুনা,সি এন জি তে অাসা যায় না;সি পাওয়া যায় না। আরো আশেপাশের যে গ্রামগুলো অাছে সেখানে লেগুনা সি এন জি চলাচল করে না।এর ফলে এসব এলাকার মানুষ বিশেষ করে মহিলা এবং স্কুল,কলেজের মেয়েরা ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থেকেও যথাসময়ে তাদের গন্তব্যে পৌছতে পারে না।অনেক সময় মহিলারা সারা দিন দাড়িয়ে থেকেও যেতে পারেন না।স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা সময় মতো ক্লাসে যেতে পারে না।গাড়িতে তাদের নিতে চায় না।অনেক সময় রাতের বেলায় কোন মানুষ অসুস্থ হলে ফোন দিলে অটোরিকশা চলে অাসে।অল্প সময়ে রোগীকে হাসপাতাল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া যায়।সারা দিন রিকসা চালিয়ে ঘুমিয়ে পড়লে কেউ অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়ার উপক্রম হলেও একটা রিকসার ব্যবস্থা করা যায় না,সি এন জি লেগুনা তো অনেক দূরের কথা। আর নিম্ন আয়ের মানুষগুলোর এতো ব্যয় বহন করা সম্ভব না।অার দিরাইয়ের আশেপাশের এলাকায় বাহন হিসাবে যে রিকসা ভাড়া বহন করা ৯০% মানুষের পক্ষে সম্ভবপর নয়।ইজিবাইক এবং অটোরিকশা চালু হওয়ার ফলে এসব এলাকার মানুষ,বিশেষ করে নিম্ন অায়ের মানুষের অনেক সুবিধা হয়েছিলো।এসব এলাকায় সহজপ্রাপ্য এবং সহজ লভ্য যানবাহন ইজিবাইক এবং অটোরিকশা বন্ধের কারনে এক দিকে যেমন এলাকার শত শত যুবক বেকোর হয়ে পড়বে তেমনি এলাকার শিক্ষা,চিকিৎসা,যাতায়াতের ক্ষেত্রি মারাত্নক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।বিশেষ করে এলাকার মহিলা এবং নিম্ন অায়ের মানুষের উপর বিরুপ প্রভাব পড়বে।অামার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতেছি রাতে অসুস্থ হওয়ার ফলে রাতের বেলায় অামি অামার রোগীকে নিয়ে ইজিবাইক ম্যানেজ করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে পেরেছি।তখন ইজিবাইক না থাকলে সি এন জি, লেগুনা ম্যানেজ করে রাতে হাসপাতালে যাওয়া সম্ভবপর হতো না।তখন হয়তো পায়ে হেটে হাসপাতালে যাওয়া লাগতো,নয়তো সকালের অপেক্ষায় রোগীকে নিয়ে বসে থাকতে হতো।যা অত্যান্ত নিষ্ঠুর এবং অমানবিক।তাই দুই একটি বিচ্ছিন্ন দূর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে গরীবের এসব যানবাহনকে বন্ধ করা,এই এলাকার নিম্ন অায়ের মানুষকে ভয়ানক বিপদে ফেলে দেয়ার নামান্তর।অার এই সুযোগে কিছু অসাধু (লেগুনা,সি এন জি পরিবহন সিন্ডিকেট)বেপরোয়া হয়ে উঠবে।তাই এসব যানবাহন বন্ধ না করে কিভাবে এর ভালো সেবা নিশ্চিত করা যায় তার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি
অত্র এলাকার একজন নিম্ন আয়ের সাধারন মানুষ হিসেবে প্রশাসনের কাছে  আকুল আবেদন…।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই ক্যাটাগরীর আরো খবর