৬ বছরে আরহাম ওম তালসানিয়া পেল গিনেসের স্বীকৃতি

প্রকাশিত: ৪:০৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১১, ২০২০

কালনী ভিউ ডেস্ক::
ভারতের আরহাম ওম তালসানিয়া এখন বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ কম্পিউটার প্রোগামার। ভবিষ্যতে ব্যবসায়ে উদ্যোক্তা‌ ‌হতে চান তিনি। এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

রোহিঙ্গা গণহত্যার স্বীকৃতি চায় ৩৫ সংস্থা
গুজরাটের আহমেদাবাদে বসবাসরত এই কম্পিউটার প্রোগামারের বয়স মাত্র ৬ বছর। পড়াশোনা দ্বিতীয় শ্রেণিতে। এই বয়সে অন্যদের মতো সেও ঘরবন্দী। কিন্তু সে ঘরবন্দী সময়টি কাজে লাগিয়েছে ভিন্ন ভাবে।

পাইথন ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করেছেন আরহাম। আর এ কারণেই খুদে এই শিক্ষার্থীর নাম উঠে গেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে।

আরহাম ওম তালসানিয়া ভারতের পিয়ারসন ভিইউই টেস্ট সেন্টারে পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ পরীক্ষায় অংশ নেয়। এ পরীক্ষায় পাস করার পরই বিশ্বের সবচেয়ে খুদে কম্পিউটার প্রোগামার হিসেবে নাম ওঠে আরহামের।

তবে যে কারও মনে হতে পারে এত অল্প বয়সে কীভাবে প্রোগ্রামিং শিখল খুদে আরহাম।‌ এক সাক্ষাৎকারে সে নিজেই জানিয়েছে, কীভাবে অসাধ্য সাধন করেছে সে।

আরহাম বলেন, আমার বাবা আমাকে কোডিং শিখিয়েছে। দু‌বছর বয়সেই আমি ট্যাবলেট ব্যবহার করতে পারতাম। তিন বছর বয়সে আমার আইওএস এবং ইউন্ডোজ (iOS এবং Windows) গ্যাজেট ছিলো। পরে জানতে পারি আমার বাবা পাইথন ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে কাজ করেন।‌

আরহাম জানান, আমি একজন ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা হতে চাই। সবাইকে সহায়তা করতে চাই। কোডিংয়ের জন্য অ্যাপস, গেমস তৈরি করতে চাই। আমি অভাবীদের সাহায্য করতে চাই।

এদিকে ছেলের সাফল্যে খুশি বাবা ওম তালসানিয়াও। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই গ্যাজেটের প্রতি ওর বিশেষ আকর্ষণ ছিল। ট্যাবলেটে গেম খেলত। আমি ওকে প্রাথমিক কিছু কোডিং শিখিয়েছিলাম। তার সাহায্যে নিজেই গেম বানিয়ে খেলত আরহাম।

ওম তালসানিয়াও বলেন, আমি তাকে প্রোগ্রামিংয়ের প্রাথমিক বিষয়গুলো শিখিয়ে দিয়েছিলাম। সে তার নিজস্ব কৌশলে ছোট ছোট গেম তৈরি করা শুরু করেছিল। সে একটি কাজ করে মাইক্রোসফট প্রযুক্তির সহযোগী হিসেবেও স্বীকৃতি পেয়েছিল।