দিরাইয়ে সাবেক চেয়ারম্যান কে লাঞ্ছিত করার জের: দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৪

প্রকাশিত: ২:০৮ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২, ২০২০

দিরাই প্রতিনিধিঃ
দিরাই পৌর শহরের সুজানগর গ্রামে বাড়ির একটি গাছ কাটা কে কেন্দ্র করে বিরোধের জের ধরে মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে দিরাই পৌর শহরের থানা রোডে দু’পক্ষে দেশীয় অস্ত্রের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৪ জন আহত হয়েছেন।

আহতরা হলেন সুজানগর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের পুত্র ইকবাল হোসেন, তার ভাই মাইদুল মিয়া,মানিক মিয়ার পুত্র আবদাল হোসেন। এছাড়াও অপরপক্ষের রুপসী বাংলা রেষ্টুরেন্টের পরিচালক জুনেদ আহমদ আহত হন। গুরুতর আহত আবদাল হোসেনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রায় আধা ঘণ্টা ব্যাপী সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে থানা রোডের দোকান পাঠ বন্ধ হয়ে যায়, পথচারীদের এদিক সেদিক প্রাণ ভয়ে ছুটাছুটি করতে দেখা গেছে, পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। বর্তমানে সুজানগর গ্রামে থমথমে ভাব বিরাজ করছে। গ্রামবাসীরা জানান, গত তিনদিন আগে গ্রামের সালিশ ব্যক্তিত্ব, করিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হেকিম চৌধুরী ও ইকবাল চৌধুরীর মধ্যে বাড়ির একটি গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে ইকবালের ভাই মাইদুল মিয়া আব্দুল হেকিম চৌধুরী কে লাঞ্ছিত করে। এর জের ধরে মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে দু’পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

পৌর কাউন্সিলর সোহেল চৌধুরী বলেন, হঠাৎ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যাওয়ায় গ্রামের আব্দুস সাত্তারের পুত্র ইকবাল হোসেনদের কাউকে চোঁখে লাগে না, গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে আমাদের গ্রামের সবচেয়ে সম্মানী ব্যক্তি, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কে অপমান করতে দ্বিধাবোধ করেনি। আবদাল নিজেকে কখনো একজন ডিআইজি পুলিশের ঘনিষ্ঠজন আবার কখনো উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের চাচাত্বো ভাই পরিচয় দিয়ে এলাকায় দাপটের সাথে চলাফেরা করে,সাধারণ মানুষ ভয়ে তাকে কিছু বলতে পারেনি। আজ রাত ৮ টার দিকে জুনেদ আহমদের মালিকানাধীন থানা রোডের রুপসী বাংলা রেষ্টুরেন্টে আবদাল হোসেন গংরা হামলা চালালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এব্যাপারে ইকবাল হোসেন চৌধুরীর 01715747505 নাম্বারে ফোন করে জানতে চাইলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে ফোন রেখে দেন।

দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন,পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।