লন্ডন ০২:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘১৭ বছরে সবচেয়ে বেশি কষ্ট করেছে জিয়া পরিবার’

 

সবশেষ ১৭ বছরে সবচেয়ে বেশি কষ্ট জিয়া পরিবার করেছে বলে দাবি করেছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী। তিনি বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা ভোটের ও ভাতের অধিকার হরণ করেছিলেন। দীর্ঘ ১৭ বছর সবচেয়ে বেশি ত্যাগ ও কষ্ট স্বীকার করেছে জিয়া পরিবার।’

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের অম্বিকা হলে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মিসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এস এম জিলানী বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমাদের আদর্শের জনক। তিনি একজন জাতীয়তাবাদী ও গভীর দেশপ্রেমিক ছিলেন। ২৫ মার্চ পাকিস্তানের সেনাবাহিনী রাতের আঁধারে গণহত্যা চালিয়েছিল, তখন তিনি চট্টগ্রাম থেকে বিদ্রোহ করে বলেছিলেন ‘উই রিভোল্ট’। নিজের পরিবার ও জীবনের কথা না ভেবে তিনি সেদিন বিদ্রোহ করেছিলেন।’

মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈকত হাসানের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব মাহফুজুর রহমান সবুজের সঞ্চালনায় কর্মিসভায় দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াসিন আলী, যুগ্ম সস্পাদক গালিব ইমতিয়াজ নাহিদ, সহসাধারণ সম্পাদক মোরতজা বশির আপেল, সহসংস্কৃতি সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ পলাশ বক্তব্য রাখেন।

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

‘১৭ বছরে সবচেয়ে বেশি কষ্ট করেছে জিয়া পরিবার’

প্রকাশের সময়: ০৮:২৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

সবশেষ ১৭ বছরে সবচেয়ে বেশি কষ্ট জিয়া পরিবার করেছে বলে দাবি করেছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী। তিনি বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা ভোটের ও ভাতের অধিকার হরণ করেছিলেন। দীর্ঘ ১৭ বছর সবচেয়ে বেশি ত্যাগ ও কষ্ট স্বীকার করেছে জিয়া পরিবার।’

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের অম্বিকা হলে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মিসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এস এম জিলানী বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমাদের আদর্শের জনক। তিনি একজন জাতীয়তাবাদী ও গভীর দেশপ্রেমিক ছিলেন। ২৫ মার্চ পাকিস্তানের সেনাবাহিনী রাতের আঁধারে গণহত্যা চালিয়েছিল, তখন তিনি চট্টগ্রাম থেকে বিদ্রোহ করে বলেছিলেন ‘উই রিভোল্ট’। নিজের পরিবার ও জীবনের কথা না ভেবে তিনি সেদিন বিদ্রোহ করেছিলেন।’

মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈকত হাসানের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব মাহফুজুর রহমান সবুজের সঞ্চালনায় কর্মিসভায় দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াসিন আলী, যুগ্ম সস্পাদক গালিব ইমতিয়াজ নাহিদ, সহসাধারণ সম্পাদক মোরতজা বশির আপেল, সহসংস্কৃতি সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ পলাশ বক্তব্য রাখেন।