লন্ডন ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শাহ আবদুল করিমের গানের কপিরাইট লঙ্ঘন: গ্রামীণফোনকে ২০ কোটি ক্ষতিপূরণের দাবি

বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের গান অনুমতি ছাড়া ব্যবহারের অভিযোগে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে ২০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

শাহ আবদুল করিমের ছেলে শাহ নূরজালালের পক্ষে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টার রাজিন আহমেদ গত ২৭ আগস্ট গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমানের নিকট এ নোটিশ প্রদান করেন।

নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে, কপিরাইটধারীর অনুমতি, লাইসেন্স বা স্বীকৃতি ছাড়াই গ্রামীণফোন ২০১৬ ও ২০২২ সালে দুটি বিজ্ঞাপনে শাহ আবদুল করিমের কপিরাইটকৃত গান ব্যবহার করেছে। বিজ্ঞাপনগুলো টেলিভিশন, ইউটিউব ও ফেসবুকে প্রচার করা হয়। এ সময় শিল্পীকে কৃতিত্ব না দেওয়ায় তাঁর নৈতিক অধিকারও লঙ্ঘিত হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ক্ষতিপূরণ দাবির পাশাপাশি নোটিশে বলা হয়েছে, অবিলম্বে অনুমতি ছাড়া গান ব্যবহার বন্ধ করতে হবে, সব প্ল্যাটফর্ম থেকে কনটেন্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সরাতে হবে, শাহ আবদুল করিমকে লেখক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের লঙ্ঘন না করার বিষয়ে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।

ব্যারিস্টার রাজিন আহমেদ বলেন, শাহ আবদুল করিমের গান কেবল সংগীত নয়, এগুলো বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের অংশ। ‘রঙিলা বাড়ৈ’ ও ‘কোন মিস্তরি নাও বানাইছে’ গান অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা শুধু অবৈধ নয়, বরং চরম অসম্মানজনক।

শাহ নূরজালাল বলেন, “আমরা গ্রামের মানুষ, আইন-কানুন খুব একটা বুঝি না। বাবার সব গান কপিরাইট করা আছে। বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করলে আমাদের অনুমতি নেওয়া উচিত এবং আয় থেকে আমাদের অংশ পাওয়া উচিত।

নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে কপিরাইট আইন, ২০২৩ অনুযায়ী দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে। এতে ক্ষতিপূরণ আদায়, অবৈধ কনটেন্ট ধ্বংস, আদালতের নিষেধাজ্ঞা এবং গ্রামীণফোনের পরিচালক ও কর্মকর্তাদের ফৌজদারি দায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

‘বট’ আইডির কুরুচিপূর্ণ লেখালেখি-ছাত্রদল নেতা মুর্শেদের পক্ষে দাঁড়ালেন বিএনপি নেতারা

শাহ আবদুল করিমের গানের কপিরাইট লঙ্ঘন: গ্রামীণফোনকে ২০ কোটি ক্ষতিপূরণের দাবি

প্রকাশের সময়: ১২:৩৭:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের গান অনুমতি ছাড়া ব্যবহারের অভিযোগে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে ২০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

শাহ আবদুল করিমের ছেলে শাহ নূরজালালের পক্ষে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টার রাজিন আহমেদ গত ২৭ আগস্ট গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমানের নিকট এ নোটিশ প্রদান করেন।

নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে, কপিরাইটধারীর অনুমতি, লাইসেন্স বা স্বীকৃতি ছাড়াই গ্রামীণফোন ২০১৬ ও ২০২২ সালে দুটি বিজ্ঞাপনে শাহ আবদুল করিমের কপিরাইটকৃত গান ব্যবহার করেছে। বিজ্ঞাপনগুলো টেলিভিশন, ইউটিউব ও ফেসবুকে প্রচার করা হয়। এ সময় শিল্পীকে কৃতিত্ব না দেওয়ায় তাঁর নৈতিক অধিকারও লঙ্ঘিত হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ক্ষতিপূরণ দাবির পাশাপাশি নোটিশে বলা হয়েছে, অবিলম্বে অনুমতি ছাড়া গান ব্যবহার বন্ধ করতে হবে, সব প্ল্যাটফর্ম থেকে কনটেন্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সরাতে হবে, শাহ আবদুল করিমকে লেখক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের লঙ্ঘন না করার বিষয়ে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।

ব্যারিস্টার রাজিন আহমেদ বলেন, শাহ আবদুল করিমের গান কেবল সংগীত নয়, এগুলো বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের অংশ। ‘রঙিলা বাড়ৈ’ ও ‘কোন মিস্তরি নাও বানাইছে’ গান অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা শুধু অবৈধ নয়, বরং চরম অসম্মানজনক।

শাহ নূরজালাল বলেন, “আমরা গ্রামের মানুষ, আইন-কানুন খুব একটা বুঝি না। বাবার সব গান কপিরাইট করা আছে। বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করলে আমাদের অনুমতি নেওয়া উচিত এবং আয় থেকে আমাদের অংশ পাওয়া উচিত।

নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে কপিরাইট আইন, ২০২৩ অনুযায়ী দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে। এতে ক্ষতিপূরণ আদায়, অবৈধ কনটেন্ট ধ্বংস, আদালতের নিষেধাজ্ঞা এবং গ্রামীণফোনের পরিচালক ও কর্মকর্তাদের ফৌজদারি দায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।