সুনামগঞ্জে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার

সুনামগঞ্জে গৃহবধূ সুমি দাশ হত্যা মামলায় র‌্যাবের অভিযানে নিহতের স্বামী কিশাল শেখর দাস (২৪)–কে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশ তাকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় র‌্যাবের একটি দল সুনামগঞ্জ সদর থানার ষোলঘর এলাকা থেকে কিশালকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত কিশাল শান্তিগঞ্জ জি উপজেলার টাইলা গ্রামের কুলেন্দু শেখর দাসের ছেলে।

র‌্যাব জানায়, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দত্তগ্রাম এলাকার বাসিন্দা সুমি দাশের সঙ্গে পারিবারিকভাবে কিশালের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে কিশাল ও তার পরিবারের সদস্যরা সুমির ওপর নির্যাতন চালাতেন। ঘটনার প্রায় দুই মাস আগে মারধরের শিকার হয়ে সুমি বাবার বাড়িতে চলে যান।

পরবর্তীতে দেড় মাস আগে উভয় পরিবারের মধ্যস্থতায় সুমিকে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ধোপাখালী এলাকার একটি ভাড়াবাসায় এনে রাখা হয়। গত ৭ জানুয়ারি বিকেলে সুমির শ্বশুর তার মাকে ফোন করে জানান, সুমি মারা গেছে এবং তার মরদেহ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রয়েছে।

খবর পেয়ে স্বজনরা হাসপাতালে গিয়ে সুমির গলা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। এ ঘটনায় সুমির মা বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‌্যাব ও পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ:

হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলেও আপাতত বাংলাদেশের চিন্তার কিছু নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

সুনামগঞ্জে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার

প্রকাশের সময়: ০৪:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

সুনামগঞ্জে গৃহবধূ সুমি দাশ হত্যা মামলায় র‌্যাবের অভিযানে নিহতের স্বামী কিশাল শেখর দাস (২৪)–কে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশ তাকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় র‌্যাবের একটি দল সুনামগঞ্জ সদর থানার ষোলঘর এলাকা থেকে কিশালকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত কিশাল শান্তিগঞ্জ জি উপজেলার টাইলা গ্রামের কুলেন্দু শেখর দাসের ছেলে।

র‌্যাব জানায়, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দত্তগ্রাম এলাকার বাসিন্দা সুমি দাশের সঙ্গে পারিবারিকভাবে কিশালের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে কিশাল ও তার পরিবারের সদস্যরা সুমির ওপর নির্যাতন চালাতেন। ঘটনার প্রায় দুই মাস আগে মারধরের শিকার হয়ে সুমি বাবার বাড়িতে চলে যান।

পরবর্তীতে দেড় মাস আগে উভয় পরিবারের মধ্যস্থতায় সুমিকে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ধোপাখালী এলাকার একটি ভাড়াবাসায় এনে রাখা হয়। গত ৭ জানুয়ারি বিকেলে সুমির শ্বশুর তার মাকে ফোন করে জানান, সুমি মারা গেছে এবং তার মরদেহ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রয়েছে।

খবর পেয়ে স্বজনরা হাসপাতালে গিয়ে সুমির গলা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। এ ঘটনায় সুমির মা বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‌্যাব ও পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।