লন্ডন ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আলো জ্বালিয়ে কাওয়াজুরী জলমহালে মাছ লুট

সুনামগঞ্জের প্রাকৃতিক মৎস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত কাওয়াজুরী জলমহাল-এ প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ব্যাপক হারে মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, শুক্রবার রাত ১০টার পর থেকে কয়েকশ নৌকায় টর্চ ও সার্চলাইট জ্বালিয়ে বিলে একযোগে মাছ শিকারে নেমেছেন হাজারো মানুষ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলবেঁধে লোকজন কুচ ও নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল নিয়ে জলমহালে প্রবেশ করে। কোনো নিয়মনীতি বা পাহারার তোয়াক্কা না করে ছোট বড় সব ধরনের দেশীয় মাছ নির্বিচারে ধরা হচ্ছে।

এতে জলমহালের প্রাকৃতিক প্রজননব্যবস্থা ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়ছে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগ রয়েছে, এভাবে অবাধে মাছ আহরণের ফলে সরকার ও ইজারাদার পক্ষ বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। একই সঙ্গে বিলের স্বাভাবিক মৎস্যসম্পদ পুনরুদ্ধারও কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ থানা-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল্লাহ বলেন, এলাকাটি অত্যন্ত দুর্গম। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, নিয়মিত টহল ও কঠোর নজরদারির অভাবেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত যৌথ অভিযান পরিচালনা, টহল জোরদার এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় অচিরেই কাওয়াজুরীর সমৃদ্ধ মৎস্যসম্পদ মারাত্মক সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

ট্যাগ:

আলো জ্বালিয়ে কাওয়াজুরী জলমহালে মাছ লুট

প্রকাশের সময়: ০৯:১৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুনামগঞ্জের প্রাকৃতিক মৎস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত কাওয়াজুরী জলমহাল-এ প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ব্যাপক হারে মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, শুক্রবার রাত ১০টার পর থেকে কয়েকশ নৌকায় টর্চ ও সার্চলাইট জ্বালিয়ে বিলে একযোগে মাছ শিকারে নেমেছেন হাজারো মানুষ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলবেঁধে লোকজন কুচ ও নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল নিয়ে জলমহালে প্রবেশ করে। কোনো নিয়মনীতি বা পাহারার তোয়াক্কা না করে ছোট বড় সব ধরনের দেশীয় মাছ নির্বিচারে ধরা হচ্ছে।

এতে জলমহালের প্রাকৃতিক প্রজননব্যবস্থা ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়ছে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগ রয়েছে, এভাবে অবাধে মাছ আহরণের ফলে সরকার ও ইজারাদার পক্ষ বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। একই সঙ্গে বিলের স্বাভাবিক মৎস্যসম্পদ পুনরুদ্ধারও কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ থানা-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল্লাহ বলেন, এলাকাটি অত্যন্ত দুর্গম। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, নিয়মিত টহল ও কঠোর নজরদারির অভাবেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত যৌথ অভিযান পরিচালনা, টহল জোরদার এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় অচিরেই কাওয়াজুরীর সমৃদ্ধ মৎস্যসম্পদ মারাত্মক সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।