শাল্লায় বিল থেকে মাছ লুট ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার বাহাড়া ইউনিয়নের ঘাঘটিয়া, হুগলিয়া ও পতেঙ্গা বিলে মাছ লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেঘনাপাড়া ঘাঘটিয়া মৎসজীবী সমবায় সমিতি বৈধভাবে ইজারা নিয়ে বিলটিতে মাছ চাষ করে আসছিল। মঙ্গলবার দুপুরে আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ হঠাৎ করে বিলে নেমে মাছ লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় বিলের নিরাপত্তা কর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের হুমকি-ধমকি দিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

মেঘনাপাড়া ঘাঘটিয়া মৎসজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি প্রদীপ দাশ বলেন, লুটপাটের ঘটনায় প্রায় ৭০ লাখ টাকার মাছ নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া বিলের প্রায় ২৫ লাখ টাকার বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাঙচুর ও নষ্ট করে ফেলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা সরকারি নিয়ম মেনে ভ্যাট-ট্যাক্স পরিশোধ করে বৈধভাবে বিলটি ইজারা নিয়েছি। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকায় এমন ঘটনা ঘটেছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের শাস্তি এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।”

এ বিষয়ে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান বলেন, বিল লুটপাটের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িতরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ:

শাল্লায় বিল থেকে মাছ লুট ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশের সময়: ১২:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার বাহাড়া ইউনিয়নের ঘাঘটিয়া, হুগলিয়া ও পতেঙ্গা বিলে মাছ লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেঘনাপাড়া ঘাঘটিয়া মৎসজীবী সমবায় সমিতি বৈধভাবে ইজারা নিয়ে বিলটিতে মাছ চাষ করে আসছিল। মঙ্গলবার দুপুরে আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ হঠাৎ করে বিলে নেমে মাছ লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় বিলের নিরাপত্তা কর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের হুমকি-ধমকি দিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

মেঘনাপাড়া ঘাঘটিয়া মৎসজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি প্রদীপ দাশ বলেন, লুটপাটের ঘটনায় প্রায় ৭০ লাখ টাকার মাছ নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া বিলের প্রায় ২৫ লাখ টাকার বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাঙচুর ও নষ্ট করে ফেলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা সরকারি নিয়ম মেনে ভ্যাট-ট্যাক্স পরিশোধ করে বৈধভাবে বিলটি ইজারা নিয়েছি। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকায় এমন ঘটনা ঘটেছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের শাস্তি এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।”

এ বিষয়ে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান বলেন, বিল লুটপাটের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িতরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।