সৌদির সঙ্গে মিল রেখে সুনামগঞ্জে দুই শতাধিক মুসল্লির ঈদ জামাত!

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ছয়টি গ্রামে প্রায় দুই শতাধিক মুসল্লি সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন। প্রায় ৭০–৮০ বছর ধরে এলাকায় এভাবে ঈদ উৎসব পালিত হয়ে আসছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে ঈদের প্রধান জামাত আমৈতল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন আমতৈল মধ্যপাড়া জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা তাজুল ইসলাম।

ঈদের জামাতে আমৈতল, রজনীলাইন, পুরানঘাট, লাউড়েরগড়, পুটিয়া ও বুরুঙ্গাছড়া গ্রামের মুসল্লিরা অংশ নেন। ঈদ উদযাপনকারী আমৈতল গ্রামের মতি মিয়া জানান, তারা চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারী। পূর্বপুরুষদের নির্দেশনা অনুযায়ী সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ উদযাপন করা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ৯টা থেকেই মুসুল্লিরা নামাজের জন্য মসজিদে আসতে শুরু করেন। ঘন্টাব্যাপী ধর্মীয় আলোচনা ও জিকির-আজকার শেষে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মসজিদের বাইরে তাহিরপুর থানা পুলিশের একটি টিম নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়োজিত ছিল।

ঐতিহ্যবাহী এ জায়গায় মুসল্লিরা এক সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়া ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন।

ট্যাগ:

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে সুনামগঞ্জে দুই শতাধিক মুসল্লির ঈদ জামাত!

প্রকাশের সময়: ০১:০৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ছয়টি গ্রামে প্রায় দুই শতাধিক মুসল্লি সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন। প্রায় ৭০–৮০ বছর ধরে এলাকায় এভাবে ঈদ উৎসব পালিত হয়ে আসছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে ঈদের প্রধান জামাত আমৈতল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন আমতৈল মধ্যপাড়া জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা তাজুল ইসলাম।

ঈদের জামাতে আমৈতল, রজনীলাইন, পুরানঘাট, লাউড়েরগড়, পুটিয়া ও বুরুঙ্গাছড়া গ্রামের মুসল্লিরা অংশ নেন। ঈদ উদযাপনকারী আমৈতল গ্রামের মতি মিয়া জানান, তারা চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারী। পূর্বপুরুষদের নির্দেশনা অনুযায়ী সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ উদযাপন করা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ৯টা থেকেই মুসুল্লিরা নামাজের জন্য মসজিদে আসতে শুরু করেন। ঘন্টাব্যাপী ধর্মীয় আলোচনা ও জিকির-আজকার শেষে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মসজিদের বাইরে তাহিরপুর থানা পুলিশের একটি টিম নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়োজিত ছিল।

ঐতিহ্যবাহী এ জায়গায় মুসল্লিরা এক সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়া ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন।