সুনামগঞ্জে নিখোঁজের ৫ ঘণ্টা পর ধানক্ষেতে মিললো শিশুর মরদেহ

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে নিখোঁজের মাত্র ৫ ঘণ্টা পর ৭ বছরের শিশু আব্দুল্লাহ আল মামুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে উপজেলার মান্নারগাঁও ইউনিয়নের গোপালপুর-শ্রীনাথপুর গ্রামের একটি বোরো ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহত মামুন দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী মোস্তাক আহমেদের ছেলে এবং স্থানীয় আল হারামাইন একাডেমির দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে পাশের বিলে মাছ ধরতে যায় মামুন। কিছুক্ষণ পর সে একাই বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং শুরু করেন খোঁজাখুঁজি।

পরবর্তীতে বিকেল প্রায় ৫টার দিকে প্রতিবেশী নুর আলম নিজের জমি দেখতে গিয়ে ধানক্ষেতে মামুনের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

এ হৃদয়বিদারক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিশুটির পরিবারের দাবি, তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা হত্যার আশঙ্কা জোরালো করছে।

ঘটনার খবর পেয়ে ছাতক-দোয়ারাবাজার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মো. মুরসালিন এবং দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে এবং রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ট্যাগ:

স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহরে দিরাই স্মৃতিসৌধে এমপি নাছির চৌধুরীর শ্রদ্ধা নিবেদন

সুনামগঞ্জে নিখোঁজের ৫ ঘণ্টা পর ধানক্ষেতে মিললো শিশুর মরদেহ

প্রকাশের সময়: ০৩:২৭:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে নিখোঁজের মাত্র ৫ ঘণ্টা পর ৭ বছরের শিশু আব্দুল্লাহ আল মামুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে উপজেলার মান্নারগাঁও ইউনিয়নের গোপালপুর-শ্রীনাথপুর গ্রামের একটি বোরো ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহত মামুন দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী মোস্তাক আহমেদের ছেলে এবং স্থানীয় আল হারামাইন একাডেমির দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে পাশের বিলে মাছ ধরতে যায় মামুন। কিছুক্ষণ পর সে একাই বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং শুরু করেন খোঁজাখুঁজি।

পরবর্তীতে বিকেল প্রায় ৫টার দিকে প্রতিবেশী নুর আলম নিজের জমি দেখতে গিয়ে ধানক্ষেতে মামুনের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

এ হৃদয়বিদারক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিশুটির পরিবারের দাবি, তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা হত্যার আশঙ্কা জোরালো করছে।

ঘটনার খবর পেয়ে ছাতক-দোয়ারাবাজার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মো. মুরসালিন এবং দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে এবং রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।