লন্ডন ০২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জে রমজানে লেবুর চড়া দাম, ক্রেতারা বিস্মিত

সারা দিন রোজা রাখার পর ইফতারের সময় এক গ্লাস লেবুর শরবত রোজাদারের তৃষ্ণা মিটিয়ে দেয়। তাই রমজানে লেবুর চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তবে চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে লেবুর দামও কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ক্রেতাদের হতবাক করে দিয়েছে। অনেকেই লেবু কেনা থেকে বিরত থাকছেন।

রমজানের তৃতীয় দিন (মঙ্গলবার) সকালে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের বিভিন্ন বাজারে দেখা যায়, আকারভেদে প্রতি হালি লেবু ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সদর উপজেলার কাছার এলাকায় লেবুর দাম আরও বেশি। সেখানে প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩২০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগেও ৪০-১২০ টাকার মধ্যে ছিল।

ব্যবসায়ীরা জানান, চলতি মৌসুমে লেবুর উৎপাদন কম হওয়ায় বাজারে সরবরাহ কম। পাশাপাশি রমজানে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামও বেড়েছে। শ্রীমঙ্গল থেকে লেবুর সরবরাহও কমে গেছে, ফলে দেশীয় লেবুর সংকট দেখা দিয়েছে।

পাইকারি বিক্রেতা আফজল মিয়া বলেন, ‘‘এক বস্তা লেবু ১৬ হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে, যেখানে প্রায় ৮০০ লেবু থাকে। ছোট লেবু প্রতি পিস ১০ টাকা, মাঝারি ১৫ টাকা এবং বড় লেবু ২০-২২ টাকা দরে বিক্রি করছি।’’

খুচরা বিক্রেতা গিয়াস উদ্দিন জানান, শ্রীমঙ্গলের কাগজী লেবু প্রতি পিস ২৫ টাকায় কিনে এনে ৩০ টাকায় বিক্রি করছেন। দেশি লেবুর সংকট থাকায় দাম আরও বেশি। দেশি লেবু প্রতি পিস ৭০-৮০ টাকা হওয়ায় প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩২০ টাকায়।

এদিকে, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহা জানান, ‘‘লেবুর চাহিদা বেড়েছে, সরবরাহ কম। তবে তিন-চার দিনের মধ্যে দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।’’

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

বিএনপির দ্বন্দ্বে সুযোগ পাচ্ছে জামায়াত: দিরাই শাল্লায় নতুন সমীকরণ

সুনামগঞ্জে রমজানে লেবুর চড়া দাম, ক্রেতারা বিস্মিত

প্রকাশের সময়: ১০:২৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

সারা দিন রোজা রাখার পর ইফতারের সময় এক গ্লাস লেবুর শরবত রোজাদারের তৃষ্ণা মিটিয়ে দেয়। তাই রমজানে লেবুর চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তবে চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে লেবুর দামও কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ক্রেতাদের হতবাক করে দিয়েছে। অনেকেই লেবু কেনা থেকে বিরত থাকছেন।

রমজানের তৃতীয় দিন (মঙ্গলবার) সকালে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের বিভিন্ন বাজারে দেখা যায়, আকারভেদে প্রতি হালি লেবু ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সদর উপজেলার কাছার এলাকায় লেবুর দাম আরও বেশি। সেখানে প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩২০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগেও ৪০-১২০ টাকার মধ্যে ছিল।

ব্যবসায়ীরা জানান, চলতি মৌসুমে লেবুর উৎপাদন কম হওয়ায় বাজারে সরবরাহ কম। পাশাপাশি রমজানে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামও বেড়েছে। শ্রীমঙ্গল থেকে লেবুর সরবরাহও কমে গেছে, ফলে দেশীয় লেবুর সংকট দেখা দিয়েছে।

পাইকারি বিক্রেতা আফজল মিয়া বলেন, ‘‘এক বস্তা লেবু ১৬ হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে, যেখানে প্রায় ৮০০ লেবু থাকে। ছোট লেবু প্রতি পিস ১০ টাকা, মাঝারি ১৫ টাকা এবং বড় লেবু ২০-২২ টাকা দরে বিক্রি করছি।’’

খুচরা বিক্রেতা গিয়াস উদ্দিন জানান, শ্রীমঙ্গলের কাগজী লেবু প্রতি পিস ২৫ টাকায় কিনে এনে ৩০ টাকায় বিক্রি করছেন। দেশি লেবুর সংকট থাকায় দাম আরও বেশি। দেশি লেবু প্রতি পিস ৭০-৮০ টাকা হওয়ায় প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩২০ টাকায়।

এদিকে, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহা জানান, ‘‘লেবুর চাহিদা বেড়েছে, সরবরাহ কম। তবে তিন-চার দিনের মধ্যে দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।’’