লন্ডন ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হলফনামায় অমিল ও আধিক্য: নাছির-পাবেল ও শিশির মনিরের সম্পদের চিত্র

হাওরের জনপদ দিরাই ও শাল্লা উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-২ সংসদীয় আসন। ৬৮১ দশমিক ৯৩ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই আসনে রয়েছে একটি পৌরসভা, ১৩টি ইউনিয়ন ও ৩৬৪টি গ্রাম। ভোটের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে আসনটি পরিচিত ছিল ‘সুরঞ্জিতের আসন’ নামে।

স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের মতো সেন পরিবারের (প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত) কেউ এ আসনের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেই। ২০১৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুর পর ওই বছরের ৩০ মার্চ অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তাঁর স্ত্রী ড. জয়া সেনগুপ্তা। পরবর্তীতে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি বিজয়ী হন।

ভাটির এলাকা হিসেবে পরিচিত এই আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট সাতজন প্রার্থী। হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে মাত্র একজন প্রার্থীর।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি মনোনীত দুইজন রয়েছেন। একজন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরী, যিনি ১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। অপরজন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা, দিরাই উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও আইনজীবী তাহির রায়হান চৌধুরী পাবেল। আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে এই দুইজনের মধ্য থেকে একজনকে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হবে।

এছাড়া মাঠে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ মনোনীত মাওলানা শুয়াইব আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাখাওয়াত হোসেন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির নিরঞ্জন দাস খোকন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ঋতেশ রঞ্জন দেব।

হলফনামা অনুযায়ী প্রার্থীদের মধ্যে দুইজন কৃষিজীবী, তিনজন আইনজীবী, একজন ব্যবসায়ী ও একজন শিক্ষক। কারও বিরুদ্ধে কোনো ব্যাংক ঋণ বা দায়-দেনার তথ্য উল্লেখ নেই।

স্বর্ণালঙ্কারের ক্ষেত্রে অধিকাংশ প্রার্থীই হয় মূল্য উল্লেখ করেননি, অথবা বর্তমান বাজারমূল্যের তুলনায় কম দাম দেখিয়েছেন। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে আলোচনায় এসেছে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরীর হলফনামা। তিনি ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারের বর্তমান মূল্য দেখিয়েছেন ১ কোটি টাকা। অথচ বাংলাদেশে ২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের বাজারদর অনুযায়ী (প্রতি ভরি ১ লক্ষ ৫২ হাজার ৮০৪ টাকা ধরে) ৫ ভরি স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য দাঁড়ায় ৭ লক্ষ ৬৪ হাজার ২০ টাকা। অর্থাৎ বাজারদরের তুলনায় প্রায় ১৩ গুণ বেশি মূল্য দেখানো হয়েছে।

সম্পদে শীর্ষে শিশির মনির, সর্বনিম্ন শুয়াইব আহমদ।হলফনামা অনুযায়ী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনির সর্বাধিক সম্পদের মালিক। তাঁর ঘোষিত মোট সম্পদের পরিমাণ ৪ কোটি ২৮ লক্ষ ৫২ হাজার ৫৬৭ টাকা।

অপরদিকে সবচেয়ে কম সম্পদের মালিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী শুয়াইব আহমদ, যার মোট সম্পদ ১১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ঋতেশ রঞ্জন দেব পেশায় একজন কৃষক। আগে তিনি একটি বায়িংহাউসে মার্চেন্ডাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কৃষিখাত থেকে তাঁর বার্ষিক আয় ৩ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকা, টিউশনি থেকে ৬০ হাজার টাকা এবং নির্ভরশীলদের আয় ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। তার অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ অর্থ ১ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা, ব্যাংক জমা ১ লক্ষ ১৫ হাজার ৪৬০ টাকা, ২ ভরি স্বর্ণ ৩ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক পণ্য ৫০ হাজার টাকা ও আসবাবপত্র ৪ লক্ষ টাকা। অর্জনকালীন মূল্য ছিল ৮ লক্ষ ৭৯ হাজার ৪৬০ টাকা, বর্তমানে আনুমানিক মূল্য ৯ লক্ষ ৬৯ হাজার ৪৬০ টাকা। স্ত্রীর নামে রয়েছে নগদ অর্থ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, ব্যাংক জমা ৭৫ হাজার টাকা ও ২০ ভরি স্বর্ণ, যার বর্তমান মূল্য ৩০ লক্ষ টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে যৌথ মালিকানায় কৃষি ও অকৃষি জমি এবং বসতঘর রয়েছে, যার মোট মূল্য ১ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে প্রার্থীর অংশ ৩৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।

বিএনপির তাহির রায়হান চৌধুরী পাবেলের ব্যাংকে জমা রয়েছে ৩৪ লক্ষ টাকার বেশি অর্থ এবং রয়েছে প্রাইভেট কারসহ ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার।

সিপিবির প্রার্থী নিরঞ্জন দাস খোকনের অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য ১২ লক্ষ টাকা এবং স্ত্রীর নামে রয়েছে ১৫ ভরি স্বর্ণ।

খেলাফত মজলিসের সাখাওয়াত হোসেনের মোট স্থাবর সম্পদের মূল্য ১১ লক্ষ টাকা।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শুয়াইব আহমদের রয়েছে সীমিত অস্থাবর সম্পদ ও একটি টিনের ঘর।

অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনিরের আয় ও সম্পদের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। আইন পেশা ও নির্ভরশীলদের বিভিন্ন খাত থেকে তাঁর পরিবারের বার্ষিক আয় কয়েক কোটি টাকার ঘরে। তাঁর স্ত্রীর নামে রয়েছে প্রায় ১ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা মূল্যের অকৃষি জমি।

সব মিলিয়ে সুনামগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণে উঠে এসেছে সম্পদে ব্যাপক বৈষম্য, স্বর্ণমূল্য ঘোষণায় অসঙ্গতি এবং সংসদীয় অভিজ্ঞতার ঘাটতি। রাজনীতির উর্বর ভূমি খ্যাত এই এলাকায় এবার ভোটের লড়াই কতটা সম্পদ, কতটা অভিজ্ঞতা আর কতটা জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভর করবে সেই প্রশ্নের উত্তর মিলবে ভোটের দিন।

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

‘বট’ আইডির কুরুচিপূর্ণ লেখালেখি-ছাত্রদল নেতা মুর্শেদের পক্ষে দাঁড়ালেন বিএনপি নেতারা

হলফনামায় অমিল ও আধিক্য: নাছির-পাবেল ও শিশির মনিরের সম্পদের চিত্র

প্রকাশের সময়: ০৭:৩১:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

হাওরের জনপদ দিরাই ও শাল্লা উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-২ সংসদীয় আসন। ৬৮১ দশমিক ৯৩ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই আসনে রয়েছে একটি পৌরসভা, ১৩টি ইউনিয়ন ও ৩৬৪টি গ্রাম। ভোটের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে আসনটি পরিচিত ছিল ‘সুরঞ্জিতের আসন’ নামে।

স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের মতো সেন পরিবারের (প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত) কেউ এ আসনের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেই। ২০১৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুর পর ওই বছরের ৩০ মার্চ অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তাঁর স্ত্রী ড. জয়া সেনগুপ্তা। পরবর্তীতে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি বিজয়ী হন।

ভাটির এলাকা হিসেবে পরিচিত এই আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট সাতজন প্রার্থী। হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে মাত্র একজন প্রার্থীর।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি মনোনীত দুইজন রয়েছেন। একজন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরী, যিনি ১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। অপরজন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা, দিরাই উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও আইনজীবী তাহির রায়হান চৌধুরী পাবেল। আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে এই দুইজনের মধ্য থেকে একজনকে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হবে।

এছাড়া মাঠে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ মনোনীত মাওলানা শুয়াইব আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাখাওয়াত হোসেন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির নিরঞ্জন দাস খোকন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ঋতেশ রঞ্জন দেব।

হলফনামা অনুযায়ী প্রার্থীদের মধ্যে দুইজন কৃষিজীবী, তিনজন আইনজীবী, একজন ব্যবসায়ী ও একজন শিক্ষক। কারও বিরুদ্ধে কোনো ব্যাংক ঋণ বা দায়-দেনার তথ্য উল্লেখ নেই।

স্বর্ণালঙ্কারের ক্ষেত্রে অধিকাংশ প্রার্থীই হয় মূল্য উল্লেখ করেননি, অথবা বর্তমান বাজারমূল্যের তুলনায় কম দাম দেখিয়েছেন। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে আলোচনায় এসেছে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরীর হলফনামা। তিনি ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারের বর্তমান মূল্য দেখিয়েছেন ১ কোটি টাকা। অথচ বাংলাদেশে ২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের বাজারদর অনুযায়ী (প্রতি ভরি ১ লক্ষ ৫২ হাজার ৮০৪ টাকা ধরে) ৫ ভরি স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য দাঁড়ায় ৭ লক্ষ ৬৪ হাজার ২০ টাকা। অর্থাৎ বাজারদরের তুলনায় প্রায় ১৩ গুণ বেশি মূল্য দেখানো হয়েছে।

সম্পদে শীর্ষে শিশির মনির, সর্বনিম্ন শুয়াইব আহমদ।হলফনামা অনুযায়ী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনির সর্বাধিক সম্পদের মালিক। তাঁর ঘোষিত মোট সম্পদের পরিমাণ ৪ কোটি ২৮ লক্ষ ৫২ হাজার ৫৬৭ টাকা।

অপরদিকে সবচেয়ে কম সম্পদের মালিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী শুয়াইব আহমদ, যার মোট সম্পদ ১১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ঋতেশ রঞ্জন দেব পেশায় একজন কৃষক। আগে তিনি একটি বায়িংহাউসে মার্চেন্ডাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কৃষিখাত থেকে তাঁর বার্ষিক আয় ৩ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকা, টিউশনি থেকে ৬০ হাজার টাকা এবং নির্ভরশীলদের আয় ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। তার অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ অর্থ ১ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা, ব্যাংক জমা ১ লক্ষ ১৫ হাজার ৪৬০ টাকা, ২ ভরি স্বর্ণ ৩ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক পণ্য ৫০ হাজার টাকা ও আসবাবপত্র ৪ লক্ষ টাকা। অর্জনকালীন মূল্য ছিল ৮ লক্ষ ৭৯ হাজার ৪৬০ টাকা, বর্তমানে আনুমানিক মূল্য ৯ লক্ষ ৬৯ হাজার ৪৬০ টাকা। স্ত্রীর নামে রয়েছে নগদ অর্থ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, ব্যাংক জমা ৭৫ হাজার টাকা ও ২০ ভরি স্বর্ণ, যার বর্তমান মূল্য ৩০ লক্ষ টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে যৌথ মালিকানায় কৃষি ও অকৃষি জমি এবং বসতঘর রয়েছে, যার মোট মূল্য ১ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে প্রার্থীর অংশ ৩৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।

বিএনপির তাহির রায়হান চৌধুরী পাবেলের ব্যাংকে জমা রয়েছে ৩৪ লক্ষ টাকার বেশি অর্থ এবং রয়েছে প্রাইভেট কারসহ ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার।

সিপিবির প্রার্থী নিরঞ্জন দাস খোকনের অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য ১২ লক্ষ টাকা এবং স্ত্রীর নামে রয়েছে ১৫ ভরি স্বর্ণ।

খেলাফত মজলিসের সাখাওয়াত হোসেনের মোট স্থাবর সম্পদের মূল্য ১১ লক্ষ টাকা।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শুয়াইব আহমদের রয়েছে সীমিত অস্থাবর সম্পদ ও একটি টিনের ঘর।

অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনিরের আয় ও সম্পদের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। আইন পেশা ও নির্ভরশীলদের বিভিন্ন খাত থেকে তাঁর পরিবারের বার্ষিক আয় কয়েক কোটি টাকার ঘরে। তাঁর স্ত্রীর নামে রয়েছে প্রায় ১ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা মূল্যের অকৃষি জমি।

সব মিলিয়ে সুনামগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণে উঠে এসেছে সম্পদে ব্যাপক বৈষম্য, স্বর্ণমূল্য ঘোষণায় অসঙ্গতি এবং সংসদীয় অভিজ্ঞতার ঘাটতি। রাজনীতির উর্বর ভূমি খ্যাত এই এলাকায় এবার ভোটের লড়াই কতটা সম্পদ, কতটা অভিজ্ঞতা আর কতটা জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভর করবে সেই প্রশ্নের উত্তর মিলবে ভোটের দিন।