লন্ডন ১০:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুক্তাদীর দম্পতির শত ভরি স্বর্ণ: সম্পত্তিতে সবচেয়ে শীর্ষে

সিলেটে প্রার্থী হওয়া বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি মিলিয়ে সবচেয়ে শীর্ষ রয়েছেন সিলেট-১ আসনের প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর।

তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩৪ কোটি ৩৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান খন্দকার মুক্তাদীর নিজেও ব্যবসায়ী। তার বাবা খন্দকার আব্দুল মালেকও ব্যবসায়ী ছিলেন। খন্দকার মালেক সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সাবেক ও সিলেট-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। এবার সিলেট-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হওয়া খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর মনোনয়পত্রের সাথে জমা দেওয়া হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তার বার্ষিক প্রায় ৩৯ লাখ ২১ হাজার টাকা।

সিলেট-১ আসনে সব প্রার্থীর মধ্যে আয় ও সম্পদের দিক থেকে তিনিই শীর্ষে রয়েছেন। তার আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদীরের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩৪ কোটি ৩৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। তার অস্থাবর সম্পদের মধ্যে ৫০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। সমপরিমাণ স্বর্ণ রয়েছে তার স্ত্রী জাকিয়া ইয়াসমিনেরও। তবে এই সবগুলো স্বর্ণই উপহার হিসেবে পাওয়া।

মুক্তাদীর হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, ‘বিবাহের সময় আত্মীয় স্বজন হতে উপহার হিসেবে প্রাপ্ত সোনা। তাই অধিগ্রহণকালে মূল্য শূণ্য’। তবে বর্তমান মূল্য হিসেবে নিজের ৫০ ভরির আনুমানিক ৫০ লাখ টাকা ও স্ত্রীর ৫০ ভরিরও সমপরিমান মূল্য উল্লেখ করেছেন।

মুক্তাদীরের কাছে নগদ টাকা আছে ৬৪ লাখ ২৮ হাজার আর ব্যাংকে আছে ৪ লাখ ৫৮ হাজার। আর তার ব্যবসায়ী স্ত্রীর কাছে নগদ আছে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। তবে স্ত্রীর ব্যাংকে কোন টাকা নেই। মুক্তাদীরের অস্থাবর সম্পত্তির বর্তমান মূল্য ১৫ কোটি ৭২ লাখ ৭ হাজার ও স্থাবর সম্পত্তি ১৮ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে তার কৃষি ও অকৃষি জমি রয়েছে। এছাড়া স্ত্রীর দুটি ফ্ল্যাট আছে।ব্যাংকের কাছে মুক্তাদীরের দায় রয়েছে ৬ কোটি ৮৫ লাখ ৮ হাজার টাকা।

রাষ্ট্রবজ্ঞোনে এমএসএস ডিগ্রিধারী মুক্তাদীরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

‘বট’ আইডির কুরুচিপূর্ণ লেখালেখি-ছাত্রদল নেতা মুর্শেদের পক্ষে দাঁড়ালেন বিএনপি নেতারা

মুক্তাদীর দম্পতির শত ভরি স্বর্ণ: সম্পত্তিতে সবচেয়ে শীর্ষে

প্রকাশের সময়: ০৪:০৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

সিলেটে প্রার্থী হওয়া বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি মিলিয়ে সবচেয়ে শীর্ষ রয়েছেন সিলেট-১ আসনের প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর।

তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩৪ কোটি ৩৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান খন্দকার মুক্তাদীর নিজেও ব্যবসায়ী। তার বাবা খন্দকার আব্দুল মালেকও ব্যবসায়ী ছিলেন। খন্দকার মালেক সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সাবেক ও সিলেট-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। এবার সিলেট-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হওয়া খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর মনোনয়পত্রের সাথে জমা দেওয়া হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তার বার্ষিক প্রায় ৩৯ লাখ ২১ হাজার টাকা।

সিলেট-১ আসনে সব প্রার্থীর মধ্যে আয় ও সম্পদের দিক থেকে তিনিই শীর্ষে রয়েছেন। তার আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদীরের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩৪ কোটি ৩৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। তার অস্থাবর সম্পদের মধ্যে ৫০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। সমপরিমাণ স্বর্ণ রয়েছে তার স্ত্রী জাকিয়া ইয়াসমিনেরও। তবে এই সবগুলো স্বর্ণই উপহার হিসেবে পাওয়া।

মুক্তাদীর হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, ‘বিবাহের সময় আত্মীয় স্বজন হতে উপহার হিসেবে প্রাপ্ত সোনা। তাই অধিগ্রহণকালে মূল্য শূণ্য’। তবে বর্তমান মূল্য হিসেবে নিজের ৫০ ভরির আনুমানিক ৫০ লাখ টাকা ও স্ত্রীর ৫০ ভরিরও সমপরিমান মূল্য উল্লেখ করেছেন।

মুক্তাদীরের কাছে নগদ টাকা আছে ৬৪ লাখ ২৮ হাজার আর ব্যাংকে আছে ৪ লাখ ৫৮ হাজার। আর তার ব্যবসায়ী স্ত্রীর কাছে নগদ আছে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। তবে স্ত্রীর ব্যাংকে কোন টাকা নেই। মুক্তাদীরের অস্থাবর সম্পত্তির বর্তমান মূল্য ১৫ কোটি ৭২ লাখ ৭ হাজার ও স্থাবর সম্পত্তি ১৮ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে তার কৃষি ও অকৃষি জমি রয়েছে। এছাড়া স্ত্রীর দুটি ফ্ল্যাট আছে।ব্যাংকের কাছে মুক্তাদীরের দায় রয়েছে ৬ কোটি ৮৫ লাখ ৮ হাজার টাকা।

রাষ্ট্রবজ্ঞোনে এমএসএস ডিগ্রিধারী মুক্তাদীরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।