সিলেট নগরীতে যাত্রীবেশে সিএনজি অটোরিকশা ব্যবহার করে সংঘটিত ছিনতাইয়ের ঘটনায় তিন সদস্যের একটি ছিনতাই চক্রকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ। এ সময় ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) সোবহানীঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শিপলু চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে শাহপরাণ (রহ.) থানাধীন নূরপুর এলাকার শহিদুর রহমানের গ্যারেজ থেকে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত “নাঈম এন্ড হাদী” নামের একটি সিএনজি অটোরিকশা (রেজি: সিলেট-থ-১২-৬৮৬২) উদ্ধার করে।
পরে সিএনজির মালিকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শাহপরাণ (রহ.) থানাধীন বিআইডিসি এলাকা ও দলইপাড়া এলাকা থেকে সিএনজির চালকসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—১) জাহিদুল ইসলাম নাজিম (২৪), পিতা সেলিম মিয়া, ২) ফয়সল আহমদ (২৫), ৩) হৃদয় খান (২৩)
ফয়সল আহমদ ও হৃদয় খানের পিতা মৃত জামাল খান। তারা সবাই শাহপরাণ (রহ.) থানার বিভিন্ন এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
পুলিশ জানায়, গত ৮ জানুয়ারি দুপুরে সাদেকুর রহমান নামে এক পুলিশ সদস্য কোতোয়ালী মডেল থানাধীন মেন্দিবাগ পয়েন্ট থেকে বন্দরবাজারগামী উক্ত সিএনজি অটোরিকশায় ওঠেন। নাইওরপুল এলাকায় দারাজ অফিসের সামনে পৌঁছালে সিএনজিতে থাকা ছিনতাইকারীরা ধারালো চাকু দিয়ে তার গলায় ভয়ভীতি সৃষ্টি করে প্যান্টের পকেট থেকে ছোট বোনের বিয়ের জন্য রাখা নগদ ২ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। এরপর তাকে সিএনজি থেকে নামিয়ে দিয়ে দ্রুত সোবহানীঘাটের দিকে পালিয়ে যায় তারা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা নম্বর-১৫, তারিখ ১১/০১/২০২৬ ইং, আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ (সংশোধনী ২০১৯) এর ৪/৫ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত ফয়সল আহমদ পূর্বেও ডাকাতির মামলার আসামি। তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় দায়ের করা মামলা নম্বর-৬৬/৫৭০, তারিখ ২৬/১১/২০২৫ ইং, দণ্ডবিধির ৩৯৫/৩৯৭ ধারায় মামলা তদন্তাধীন রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত তিন আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
কালনী ভিউ ডেস্কঃ 

















