লন্ডন ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দিরাই-শাল্লায় ‘অপ্রত্যাশিত মৈত্রী’: জামায়াত প্রার্থীর সভায় আ. লীগের নেতারা

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1,"curves":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

সন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থী সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি মোহাম্মদ শিশির মনিরের নির্বাচনী বৈঠকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার উপস্থিতি ও ভোট চাওয়ার ঘটনা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বক্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের চকবাজার এলাকায় অনুষ্ঠিত এক পথসভায়।

বৈঠকে জামায়াতের আলোচিত এমপি প্রার্থী শিশির মনিরের পাশে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেন রাজানগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গোলাপ মিয়া। ওই ভিডিও মঙ্গলবার বিকেলে ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, গোলাপ মিয়ার পাশাপাশি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও বর্তমান ইউপি সদস্য রেনু মিয়া, খসরু মিয়া এবং আওয়ামী লীগের সাবেক কর্মী আলতাবুর রহমান সভায় উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্যও রাখেন।

সভায় গোলাপ মিয়া বলেন, একটি ঘরের চেয়ে দরজা ছোট, দরজা থেকে তালা ছোট, তালা থেকে চাবি আরও ছোট। কিন্তু ছোট চাবির মূল্যই বেশি। তেমনি ভোট হচ্ছে মূল্যবান চাবি। সেই উন্নয়নের চাবি কাকে দেওয়া উচিত সবার বক্তব্যেই আমরা বুঝতে পারছি, সেই যোগ্য এবং সবার পছন্দের মানুষ হচ্ছেন মোহাম্মদ শিশির মনির।

বক্তব্য দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে গোলাপ মিয়া বলেন, আমি রাজানগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি ছিলাম। অনেকদিন হলো নিষ্ক্রিয়। এখন আমার কোনো পদ-পদবী নেই। আওয়ামী লীগের রাজনীতিও নিষিদ্ধ। কিন্তু একজন নাগরিক ও ভোটার হিসেবে তো ভোট দিতে হবে। তাই এলাকার পক্ষে বক্তব্য দিয়েছি। তিনি আরও জানান, রেনু মেম্বার, খসরু মেম্বার ও আলতাবুর রহমানও দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের কর্মী ছিলেন। তবে বর্তমানে তাদের কোনো সাংগঠনিক পদ নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

স্থানীয়দের মতে, দিরাই-শাল্লা আসনে বিএনপি মনোনীত ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি শিশির মনিরের সভায় আওয়ামী লীগ নেতাদের অংশগ্রহণ এবং বক্তব্য ভোটের মাঠে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ রাজনৈতিক অবস্থানের প্রেক্ষাপটে এসব উপস্থিতি দলটির নেতাকর্মীদের ভূমিকা ও ভোটের প্রবাহ নিয়ে ভিন্নধর্মী বিশ্লেষণ তৈরি করেছে।

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

‘বট’ আইডির কুরুচিপূর্ণ লেখালেখি-ছাত্রদল নেতা মুর্শেদের পক্ষে দাঁড়ালেন বিএনপি নেতারা

দিরাই-শাল্লায় ‘অপ্রত্যাশিত মৈত্রী’: জামায়াত প্রার্থীর সভায় আ. লীগের নেতারা

প্রকাশের সময়: ০৬:১৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

সন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থী সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি মোহাম্মদ শিশির মনিরের নির্বাচনী বৈঠকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার উপস্থিতি ও ভোট চাওয়ার ঘটনা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বক্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের চকবাজার এলাকায় অনুষ্ঠিত এক পথসভায়।

বৈঠকে জামায়াতের আলোচিত এমপি প্রার্থী শিশির মনিরের পাশে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেন রাজানগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গোলাপ মিয়া। ওই ভিডিও মঙ্গলবার বিকেলে ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, গোলাপ মিয়ার পাশাপাশি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও বর্তমান ইউপি সদস্য রেনু মিয়া, খসরু মিয়া এবং আওয়ামী লীগের সাবেক কর্মী আলতাবুর রহমান সভায় উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্যও রাখেন।

সভায় গোলাপ মিয়া বলেন, একটি ঘরের চেয়ে দরজা ছোট, দরজা থেকে তালা ছোট, তালা থেকে চাবি আরও ছোট। কিন্তু ছোট চাবির মূল্যই বেশি। তেমনি ভোট হচ্ছে মূল্যবান চাবি। সেই উন্নয়নের চাবি কাকে দেওয়া উচিত সবার বক্তব্যেই আমরা বুঝতে পারছি, সেই যোগ্য এবং সবার পছন্দের মানুষ হচ্ছেন মোহাম্মদ শিশির মনির।

বক্তব্য দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে গোলাপ মিয়া বলেন, আমি রাজানগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি ছিলাম। অনেকদিন হলো নিষ্ক্রিয়। এখন আমার কোনো পদ-পদবী নেই। আওয়ামী লীগের রাজনীতিও নিষিদ্ধ। কিন্তু একজন নাগরিক ও ভোটার হিসেবে তো ভোট দিতে হবে। তাই এলাকার পক্ষে বক্তব্য দিয়েছি। তিনি আরও জানান, রেনু মেম্বার, খসরু মেম্বার ও আলতাবুর রহমানও দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের কর্মী ছিলেন। তবে বর্তমানে তাদের কোনো সাংগঠনিক পদ নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

স্থানীয়দের মতে, দিরাই-শাল্লা আসনে বিএনপি মনোনীত ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি শিশির মনিরের সভায় আওয়ামী লীগ নেতাদের অংশগ্রহণ এবং বক্তব্য ভোটের মাঠে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ রাজনৈতিক অবস্থানের প্রেক্ষাপটে এসব উপস্থিতি দলটির নেতাকর্মীদের ভূমিকা ও ভোটের প্রবাহ নিয়ে ভিন্নধর্মী বিশ্লেষণ তৈরি করেছে।