লন্ডন ০৬:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে তেল, গ্যাসসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে তার পরিচয়পত্র পেশকালে তিনি এ আহ্বান জানান। হাইকমিশনার বঙ্গভবনে পৌঁছলে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি চৌকষ দল তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে।

যুক্তরাজ্যের নতুন হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ব্রিটেন বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও কারিগরি উন্নয়নে যুক্তরাজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে প্রথমেই যুক্তরাজ্যে পদার্পণ করলে তাকে ব্যাপক সম্মান দেওয়ায় রাষ্ট্রপতি তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও ব্রিটেনের জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, সেই থেকেই বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের একসঙ্গে পথ চলা শুরু এবং কালের পরিক্রমায় এই সম্পর্ক আজ দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি যুক্তরাজ্যের নতুন রাজাকে অভিনন্দন জানান।

হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের অংশীদারিত্ব মজবুত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত।

বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই অব্যাহত উন্নয়নে তার দেশ সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে। হাইকমিশনার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বডুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ:
লেখক সম্পর্কে

জনপ্রিয়

বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রকাশের সময়: ০৪:৪৭:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩

যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে তেল, গ্যাসসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে তার পরিচয়পত্র পেশকালে তিনি এ আহ্বান জানান। হাইকমিশনার বঙ্গভবনে পৌঁছলে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি চৌকষ দল তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে।

যুক্তরাজ্যের নতুন হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ব্রিটেন বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও কারিগরি উন্নয়নে যুক্তরাজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে প্রথমেই যুক্তরাজ্যে পদার্পণ করলে তাকে ব্যাপক সম্মান দেওয়ায় রাষ্ট্রপতি তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও ব্রিটেনের জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, সেই থেকেই বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের একসঙ্গে পথ চলা শুরু এবং কালের পরিক্রমায় এই সম্পর্ক আজ দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি যুক্তরাজ্যের নতুন রাজাকে অভিনন্দন জানান।

হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের অংশীদারিত্ব মজবুত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত।

বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই অব্যাহত উন্নয়নে তার দেশ সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে। হাইকমিশনার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বডুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।