লন্ডন ০৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নতুন ঘর পেয়ে আনন্দে আত্মহারা দিরাই’র ভূমিহীন ১০৫ পরিবারের সদস্যরা

ভূমিহীন ও গৃহহীন অসহায় মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে সারাদেশে আরও ২২ হাজার ১০১টি পরিবারকে নতুন ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ১০৫ টি ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে নতুন ঘর হস্তান্তর করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে এসব ঘর দেওয়া হয়। বুধবার সকালে নতুন ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানটি টেলি-কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমপি।

ঘর হস্তান্তর উপলক্ষ্যে উপজেলা গণ-মিলনায়তন হলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুর রহমান মামুন’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, দিরাই পৌরসভার মেয়র বিশ্বজিৎ রায় বিশ্ব, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোহন চৌধুরী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনি রায়, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শরীফুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আতাউর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান একরার হোসেন, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী উজ্জ্বল মিয়া, পল্লী বিদ্যুতের এজিএম নূরুল ইসলাম প্রমুখ।

দিরাই উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের ঘর পাল্টে দিয়েছে ভূমিহীন-গৃহহীনদের জীবন যাত্রার গল্প। আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর অনেকেরই জীবন পরিবর্তনের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। গৃহহীনদের জীবনের বেশী ভাগ সময় কেটেছে ভাসমান অবস্থায়, তাদের ছিলনা কোন স্থায়ী ঠিকানা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরসহ জমির মালিকানা পেয়ে খুঁজে পেয়েছেন তাদের আসল ঠিকানা। বর্তমানে তারা নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখছেন ভূমিহীন, গৃহহীন ও নিন্ম আয়ের মানুষগুলো প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে আনন্দে আত্মহারা গৃহহীন পরিবারের সদস্যরা। অসহায় ছিন্নমূল উপকার ভোগী পরিবার পরিজনরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করেন।

৫৫ বছর বয়সী আমেনা বেগম বলেন, সংসারে অসুস্থ প্রতিবন্ধী সন্তান নিয়ে কোনোমতে দিন কাটে তার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে ঘর পেয়ে জীবন সায়াহ্নে এসে আবার নতুন করে সংসার পেতেছেন তিনি। বেশিরভাগ সময় মানুষের বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ঝিয়ের কাজ করে অসুস্থ সন্তানের ওষুধসহ সংসার চালাতে গিয়ে অনেক কষ্ট করতে হয় তাকে। শুধু আমেনা বেগম নয়, তার মতো অনেকেই উপহারের ঘর পাওয়া নিন্ম আয়ের সবারই স্বপ্ন ও জীবন-যাপনে পরিবর্তন এসেছে। হঠাৎ এমন পরিবর্তনে একদিকে যেমন উচ্ছাসিত তারা। অপর দিকে নতুন করে বাঁচার তাগিদ তাদের মনে।

ট্যাগ:
লেখক সম্পর্কে

জনপ্রিয়

নতুন ঘর পেয়ে আনন্দে আত্মহারা দিরাই’র ভূমিহীন ১০৫ পরিবারের সদস্যরা

প্রকাশের সময়: ০৩:০২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ অগাস্ট ২০২৩

ভূমিহীন ও গৃহহীন অসহায় মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে সারাদেশে আরও ২২ হাজার ১০১টি পরিবারকে নতুন ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ১০৫ টি ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে নতুন ঘর হস্তান্তর করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে এসব ঘর দেওয়া হয়। বুধবার সকালে নতুন ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানটি টেলি-কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমপি।

ঘর হস্তান্তর উপলক্ষ্যে উপজেলা গণ-মিলনায়তন হলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুর রহমান মামুন’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, দিরাই পৌরসভার মেয়র বিশ্বজিৎ রায় বিশ্ব, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোহন চৌধুরী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনি রায়, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শরীফুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আতাউর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান একরার হোসেন, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী উজ্জ্বল মিয়া, পল্লী বিদ্যুতের এজিএম নূরুল ইসলাম প্রমুখ।

দিরাই উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের ঘর পাল্টে দিয়েছে ভূমিহীন-গৃহহীনদের জীবন যাত্রার গল্প। আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর অনেকেরই জীবন পরিবর্তনের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। গৃহহীনদের জীবনের বেশী ভাগ সময় কেটেছে ভাসমান অবস্থায়, তাদের ছিলনা কোন স্থায়ী ঠিকানা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরসহ জমির মালিকানা পেয়ে খুঁজে পেয়েছেন তাদের আসল ঠিকানা। বর্তমানে তারা নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখছেন ভূমিহীন, গৃহহীন ও নিন্ম আয়ের মানুষগুলো প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে আনন্দে আত্মহারা গৃহহীন পরিবারের সদস্যরা। অসহায় ছিন্নমূল উপকার ভোগী পরিবার পরিজনরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করেন।

৫৫ বছর বয়সী আমেনা বেগম বলেন, সংসারে অসুস্থ প্রতিবন্ধী সন্তান নিয়ে কোনোমতে দিন কাটে তার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে ঘর পেয়ে জীবন সায়াহ্নে এসে আবার নতুন করে সংসার পেতেছেন তিনি। বেশিরভাগ সময় মানুষের বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ঝিয়ের কাজ করে অসুস্থ সন্তানের ওষুধসহ সংসার চালাতে গিয়ে অনেক কষ্ট করতে হয় তাকে। শুধু আমেনা বেগম নয়, তার মতো অনেকেই উপহারের ঘর পাওয়া নিন্ম আয়ের সবারই স্বপ্ন ও জীবন-যাপনে পরিবর্তন এসেছে। হঠাৎ এমন পরিবর্তনে একদিকে যেমন উচ্ছাসিত তারা। অপর দিকে নতুন করে বাঁচার তাগিদ তাদের মনে।