লন্ডন ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের উদ্যোগ: রমজানেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাচ্ছেন দিরাইয়ের নারীরা

বিত্র রমজান মাসেই সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার নারীদের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় ঈদের আগেই দেশের ৮টি উপজেলায় পাইলট ভিত্তিতে এ কর্মসূচি চালুর নির্দেশ দেন।

সিলেট বিভাগের জন্য পাইলট উপজেলা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে দিরাই।

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচিত পরিবারের ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে নারী প্রধানের নামে কার্ড ইস্যু করা হবে।

প্রস্তাবিত নীতিমালায় প্রতি পরিবারকে মাসে ২৫ কেজি চাল, ৫ কেজি আলু, ১ কেজি মসুর ডাল, ২ লিটার সয়াবিন তেল ও ১ কেজি লবণ অথবা বিকল্প হিসেবে নগদ ২,০০০ টাকা সহায়তা দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রশাসনিক সুবিধা, স্বচ্ছতা ও দ্রুত বিতরণ নিশ্চিত করতে নগদ সহায়তাকেই তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

নীতিপত্র অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে সারাদেশে ৫০ লাখ পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মূল্যস্ফীতির প্রভাব কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা উদ্যোগটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও উপকারভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও সঠিক তথ্য যাচাই নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। তাদের মতে, প্রকৃত দরিদ্র পরিবার চিহ্নিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত ভূমিকা জরুরি।

দিরাইয়ে পাইলট কার্যক্রম সফল হলে তা সারাদেশে সম্প্রসারণের পথ আরও সুগম হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।

ট্যাগ:

তারেক রহমানের উদ্যোগ: রমজানেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাচ্ছেন দিরাইয়ের নারীরা

প্রকাশের সময়: ১২:৫৫:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিত্র রমজান মাসেই সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার নারীদের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় ঈদের আগেই দেশের ৮টি উপজেলায় পাইলট ভিত্তিতে এ কর্মসূচি চালুর নির্দেশ দেন।

সিলেট বিভাগের জন্য পাইলট উপজেলা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে দিরাই।

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচিত পরিবারের ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে নারী প্রধানের নামে কার্ড ইস্যু করা হবে।

প্রস্তাবিত নীতিমালায় প্রতি পরিবারকে মাসে ২৫ কেজি চাল, ৫ কেজি আলু, ১ কেজি মসুর ডাল, ২ লিটার সয়াবিন তেল ও ১ কেজি লবণ অথবা বিকল্প হিসেবে নগদ ২,০০০ টাকা সহায়তা দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রশাসনিক সুবিধা, স্বচ্ছতা ও দ্রুত বিতরণ নিশ্চিত করতে নগদ সহায়তাকেই তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

নীতিপত্র অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে সারাদেশে ৫০ লাখ পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মূল্যস্ফীতির প্রভাব কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা উদ্যোগটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও উপকারভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও সঠিক তথ্য যাচাই নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। তাদের মতে, প্রকৃত দরিদ্র পরিবার চিহ্নিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত ভূমিকা জরুরি।

দিরাইয়ে পাইলট কার্যক্রম সফল হলে তা সারাদেশে সম্প্রসারণের পথ আরও সুগম হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।