দিরাইয়ে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

বিয়েতে দাওয়াত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে চাচাতো ভাইয়ের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আনজুর মিয়া (৫০) নিহত হয়েছেন।

শনিবার দুপুরে উপজেলার ধল আশ্রম গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত আনজুর মিয়া ধল আশ্রম গ্রামের ছাত উল্ল্যার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়ের দাওয়াত না পাওয়াকে কেন্দ্র করে আনজুর মিয়ার সঙ্গে তার চাচাতো ভাই আনহার মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিরোধ তীব্র হলে আনহার মিয়া ধারালো অস্ত্র দিয়ে আনজুর মিয়াকে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান।

খবর পেয়ে দিরাই থানা পুলিশ দিরাই সরকারি হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। মরদেহ ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ বলছে, তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিশ্চিত করা হবে।

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

জগন্নাথপুরে হাসপাতাল ভবন থেকে পড়ে রোগীর মৃত্যু

দিরাইয়ে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

প্রকাশের সময়: ০৮:৪৩:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিয়েতে দাওয়াত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে চাচাতো ভাইয়ের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আনজুর মিয়া (৫০) নিহত হয়েছেন।

শনিবার দুপুরে উপজেলার ধল আশ্রম গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত আনজুর মিয়া ধল আশ্রম গ্রামের ছাত উল্ল্যার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়ের দাওয়াত না পাওয়াকে কেন্দ্র করে আনজুর মিয়ার সঙ্গে তার চাচাতো ভাই আনহার মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিরোধ তীব্র হলে আনহার মিয়া ধারালো অস্ত্র দিয়ে আনজুর মিয়াকে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান।

খবর পেয়ে দিরাই থানা পুলিশ দিরাই সরকারি হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। মরদেহ ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ বলছে, তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিশ্চিত করা হবে।