লন্ডন ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দিরাইয়ে শিশির মনিরের শেষ নির্বাচনী জনসভা: উন্নয়ন ও সম্প্রীতির অঙ্গীকার

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনিরের শেষ নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে দিরাই মিনি স্টেডিয়াম মাঠে ‘ঐক্য ও সম্প্রীতির সমাবেশ’ ব্যানারে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিশির মনির বলেন, দিরাই-শাল্লার মানুষ যদি আমাকে নির্বাচিত করে, তাহলে হাওর এলাকার মানুষের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আজকের এই সমাবেশে আপনারা দেখেছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ একসঙ্গে দাঁড়িয়েছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই ঐক্যকে রুখে দেওয়ার মতো শক্তি কারও নেই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দায়িত্ব হলো হিন্দু-মুসলমান সবাইকে এক কাতারে এনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক মডেল তৈরি করা। ঐক্য ও সম্প্রীতির মাধ্যমেই উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব। নিজের নির্বাচনী অঙ্গীকার তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। শুধু সরকারি টাকায় দিরাই-শাল্লার ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব নয়। হাওর অঞ্চলে টেকসই রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বিদেশি কোম্পানি ও এনজিওদের সম্পৃক্ত করে পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে হাওর এলাকায় উড়ালসেতুসহ আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের দুরবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দিরাই-শাল্লায় পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা নেই। আমি নির্বাচিত হলে ছয় মাসের মধ্যে এলাকায় একটি বিকল্প হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেব। পাশাপাশি শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য একটি লালন-পালন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। আমার নির্বাচনী ইশতেহারে থাকা ২০ দফা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

দিরাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি আব্দুল কদ্দুসের সভাপতিত্বে এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সুনামগঞ্জ জেলার সাবেক সভাপতি মাওলানা নুর উদ্দীন, সাবেক এমপি গোলাম জিলানীর পুত্র মাহমুদুল হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মলিনী কান্ত দাস, ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন জুয়েল, শিক্ষক পুলিং বিহারী দাস, প্রিন্সিপাল গোলাম রব্বানী, প্রবাসী আবু সালেহসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল এসে জনসভায় যোগ দেয়।

ট্যাগ:

বিএনপির জোট আসন পেতে পারে ২০৮টি, জামায়াত ৪৬টি

দিরাইয়ে শিশির মনিরের শেষ নির্বাচনী জনসভা: উন্নয়ন ও সম্প্রীতির অঙ্গীকার

প্রকাশের সময়: ০৩:০৮:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনিরের শেষ নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে দিরাই মিনি স্টেডিয়াম মাঠে ‘ঐক্য ও সম্প্রীতির সমাবেশ’ ব্যানারে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিশির মনির বলেন, দিরাই-শাল্লার মানুষ যদি আমাকে নির্বাচিত করে, তাহলে হাওর এলাকার মানুষের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আজকের এই সমাবেশে আপনারা দেখেছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ একসঙ্গে দাঁড়িয়েছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই ঐক্যকে রুখে দেওয়ার মতো শক্তি কারও নেই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দায়িত্ব হলো হিন্দু-মুসলমান সবাইকে এক কাতারে এনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক মডেল তৈরি করা। ঐক্য ও সম্প্রীতির মাধ্যমেই উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব। নিজের নির্বাচনী অঙ্গীকার তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। শুধু সরকারি টাকায় দিরাই-শাল্লার ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব নয়। হাওর অঞ্চলে টেকসই রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বিদেশি কোম্পানি ও এনজিওদের সম্পৃক্ত করে পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে হাওর এলাকায় উড়ালসেতুসহ আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের দুরবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দিরাই-শাল্লায় পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা নেই। আমি নির্বাচিত হলে ছয় মাসের মধ্যে এলাকায় একটি বিকল্প হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেব। পাশাপাশি শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য একটি লালন-পালন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। আমার নির্বাচনী ইশতেহারে থাকা ২০ দফা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

দিরাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি আব্দুল কদ্দুসের সভাপতিত্বে এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সুনামগঞ্জ জেলার সাবেক সভাপতি মাওলানা নুর উদ্দীন, সাবেক এমপি গোলাম জিলানীর পুত্র মাহমুদুল হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মলিনী কান্ত দাস, ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন জুয়েল, শিক্ষক পুলিং বিহারী দাস, প্রিন্সিপাল গোলাম রব্বানী, প্রবাসী আবু সালেহসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল এসে জনসভায় যোগ দেয়।