লন্ডন ০৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বজ্রপাত থেকে বাঁচার আমল

জ্রকে আরবিতে বলা হয় ‘রাদ’। পবিত্র কোরআনুল কারিমে এ নামে একটি সূরা রয়েছে। এটি কোরআনের ১৩তম সূরা, যার আয়াত সংখ্যা ৪৩টি। সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ।
উক্ত সূরাটিতে মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলা বজ্রপাত সম্পর্কে ইরশাদ করেন- هُوَ الَّذِي يُرِيكُمُ الْبَرْقَ خَوْفًا وَطَمَعًا وَيُنشِئُ السَّحَابَ الثِّقَالَ

অর্থ: ‘তিনিই তোমাদেরকে বিদ্যুৎ দেখান ভয়ের জন্যে এবং আশার জন্যে এবং উক্ষিত করেন ঘন মেঘমালা’। (সূরা: রাদ, আয়াত: ১২)

আল্লাহ তাআলা আরো বলেন- وَيُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلَائِكَةُ مِنْ خِيفَتِهِ وَيُرْسِلُ الصَّوَاعِقَ فَيُصِيبُ بِهَا مَن يَشَاءُ وَهُمْ يُجَادِلُونَ فِي اللَّهِ وَهُوَ شَدِيدُ الْمِحَالِ

অর্থ: ‘তার প্রশংসা পাঠ করে বজ্র এবং সব ফেরেশতা, সভয়ে। তিনি বজ্রপাত করেন, অতঃপর যাকে ইচছা, তাকে তা দ্বারা আঘাত করেন; তথাপি তারা আল্লাহ সম্পর্কে বিতন্ডা করে, অথচ তিনি মহাশক্তিশালী’। (সূরা: রাদ, আয়াত: ১৩)

বজ্রপাত থেকে বাঁচার জন্য বিশ্ব নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিশেষ একটি দোয়া শিখিয়েছেন। দোয়াটি পাঠ করা হলে ইনশাআল্লাহ! এ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন বজ্রের আওয়াজ শুনতেন তখন এ দোয়া পড়তেন- اللَّهُمَّ لاَ تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَلاَ تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَعَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা লা-তাক্বতুলনা বিগাজাবিকা, ওয়া লা-তুহলিকনা বিআজা-বিকা, ওয়া আ-ফিনা-ক্বাবলা জা-লিকা’।

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আপনার গজব দিয়ে হত্যা করে দেবেন না এবং আপনার আজাব দিয়ে ধ্বংস করে দেবেন না। এসবের আগেই আপনি আমাকে পরিত্রাণ দিন’। (তিরমিজি, হাদিস : ৩৪৫০)

বজ্রপাতের শব্দ শুনলে নবীজি (সা.) এই দোয়াও পড়তেন- আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসূল (সা.) বজ্রপাতের শব্দ শুনলেই পড়তেন- سُبْحَانَ الَّذِيْ يُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ

উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাজি ইয়ুসাব্বিহুর রা‘অদু বিহামদিহি’।

অর্থ: ‘পবিত্র সে সত্তা, বজ্র সন্ত্রস্ত হয়ে যার প্রশংসা পাঠ করে’।

ট্যাগ:
লেখক সম্পর্কে

জনপ্রিয়

বজ্রপাত থেকে বাঁচার আমল

প্রকাশের সময়: ১০:২৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জুন ২০২৩

জ্রকে আরবিতে বলা হয় ‘রাদ’। পবিত্র কোরআনুল কারিমে এ নামে একটি সূরা রয়েছে। এটি কোরআনের ১৩তম সূরা, যার আয়াত সংখ্যা ৪৩টি। সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ।
উক্ত সূরাটিতে মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলা বজ্রপাত সম্পর্কে ইরশাদ করেন- هُوَ الَّذِي يُرِيكُمُ الْبَرْقَ خَوْفًا وَطَمَعًا وَيُنشِئُ السَّحَابَ الثِّقَالَ

অর্থ: ‘তিনিই তোমাদেরকে বিদ্যুৎ দেখান ভয়ের জন্যে এবং আশার জন্যে এবং উক্ষিত করেন ঘন মেঘমালা’। (সূরা: রাদ, আয়াত: ১২)

আল্লাহ তাআলা আরো বলেন- وَيُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلَائِكَةُ مِنْ خِيفَتِهِ وَيُرْسِلُ الصَّوَاعِقَ فَيُصِيبُ بِهَا مَن يَشَاءُ وَهُمْ يُجَادِلُونَ فِي اللَّهِ وَهُوَ شَدِيدُ الْمِحَالِ

অর্থ: ‘তার প্রশংসা পাঠ করে বজ্র এবং সব ফেরেশতা, সভয়ে। তিনি বজ্রপাত করেন, অতঃপর যাকে ইচছা, তাকে তা দ্বারা আঘাত করেন; তথাপি তারা আল্লাহ সম্পর্কে বিতন্ডা করে, অথচ তিনি মহাশক্তিশালী’। (সূরা: রাদ, আয়াত: ১৩)

বজ্রপাত থেকে বাঁচার জন্য বিশ্ব নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিশেষ একটি দোয়া শিখিয়েছেন। দোয়াটি পাঠ করা হলে ইনশাআল্লাহ! এ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন বজ্রের আওয়াজ শুনতেন তখন এ দোয়া পড়তেন- اللَّهُمَّ لاَ تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَلاَ تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَعَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা লা-তাক্বতুলনা বিগাজাবিকা, ওয়া লা-তুহলিকনা বিআজা-বিকা, ওয়া আ-ফিনা-ক্বাবলা জা-লিকা’।

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আপনার গজব দিয়ে হত্যা করে দেবেন না এবং আপনার আজাব দিয়ে ধ্বংস করে দেবেন না। এসবের আগেই আপনি আমাকে পরিত্রাণ দিন’। (তিরমিজি, হাদিস : ৩৪৫০)

বজ্রপাতের শব্দ শুনলে নবীজি (সা.) এই দোয়াও পড়তেন- আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসূল (সা.) বজ্রপাতের শব্দ শুনলেই পড়তেন- سُبْحَانَ الَّذِيْ يُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ

উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাজি ইয়ুসাব্বিহুর রা‘অদু বিহামদিহি’।

অর্থ: ‘পবিত্র সে সত্তা, বজ্র সন্ত্রস্ত হয়ে যার প্রশংসা পাঠ করে’।