হাওরাঞ্চলের শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমন্বিত ভূমিকা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেটের চেয়ারম্যান প্রফেসর আনোয়ার হোসেন চৌধুরী।
তিনি বলেন, শুধুমাত্র পাঠ্যক্রম নয়, শিক্ষকদের যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি এবং একাডেমিক প্রধানদের দূরদর্শী পরিকল্পনার মাধ্যমেই হাওরাঞ্চলের শিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব।
বুধবার দিরাই পৌর সদরে অবস্থিত বাংলাদেশ ফিমেইল একাডেমির হলরুমে ‘হাওরাঞ্চলের শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, হাওরাঞ্চলের প্রাকৃতিক ও সামাজিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়াতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে একাডেমিক পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি।
বাংলাদেশ ফিমেইল একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা জামিল চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং শিক্ষিকা জান্নাতুল নাজনীন আশার সঞ্চালনায় সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিলেট শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক শেখ মো. নজরুল ইসলাম। প্রবন্ধে তিনি হাওরাঞ্চলের পাঁচ জেলার শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব বিকাশ, মানসিক ও শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত শিক্ষালয়ে অনুপস্থিতির চ্যালেঞ্জ এবং এসব মোকাবিলায় শিক্ষকদের করণীয় বিষয়ে আলোকপাত করেন।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সিলেট শিক্ষা বোর্ডের সচিব চৌধুরী মামুন আকবর, বিদ্যালয় পরিদর্শক মঈনুল ইসলাম। তাঁরা হাওরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রসার, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক জোরদার এবং স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সেমিনারে জেলার ৩০টি কলেজের অধ্যক্ষ, ৭০টি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ শিক্ষাবিদ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা শেষে হাওরাঞ্চলের শিক্ষার মানোন্নয়নে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 








