দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসক না থাকায় রোগী ও স্বজনদের মধ্যে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার সন্ধ্যায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসলে জরুরি বিভাগে কোনো চিকিৎসক না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন তারা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও রোগীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সন্ধ্যার পরপরই একাধিক রোগী জরুরি বিভাগে আসে। কিন্তু দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও কর্তব্যরত কোনো চিকিৎসকের দেখা না পেয়ে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনরা হাসপাতাল চত্বরে হট্টগোল শুরু করেন এবং দ্রুত চিকিৎসার দাবি জানান।
এ সময় এক রোগীর স্বজন নিজের ফেসবুক আইডি থেকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পরিস্থিতি লাইভ সম্প্রচার করেন। ভিডিওটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা ভাইরাল হয়ে যায়। লাইভ ভিডিওতে জরুরি বিভাগে চিকিৎসক না থাকার বিষয়টি এবং রোগী-স্বজনদের ক্ষোভ স্পষ্টভাবে উঠে আসে।
রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করেন, অনেকক্ষণ অপেক্ষার পরও হাসপাতালে ডাক্তার না পাওয়ায় রোগীদের মাঝে অস্বস্তি শুরু হয়।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনরা দিরাই সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার বেহাল দশা নিয়ে নানা মন্তব্য করেন। অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন, সরকারি হাসপাতালে নিয়মিত চিকিৎসক না থাকা এবং দায়িত্বে অবহেলার কারণে সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় সময়ে জরুরি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কেউ কেউ চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিসে বেশি মনোযোগ দেওয়ার অভিযোগও করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, জরুরি বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে চিকিৎসক অনুপস্থিত থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা দাবি করেন, এটি নতুন কোনো ঘটনা নয় আগেও একাধিকবার এ ধরনের পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে রোগীদের। দ্রুত সময়ের মধ্যে জরুরি বিভাগের সেবা স্বাভাবিক না হলে সাধারণ মানুষের আস্থা আরও কমে যাবে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে জরুরি বিভাগের ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 










