সুনামগঞ্জে স্বামীর মৃত্যুতে, স্ত্রী ও শাশুড়ি আটক

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে বাতির মিয়া (৪০) নামে দুই সন্তানের জনকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্ত্রী রুবিনা আক্তার (২৮)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্ত্রী ও শাশুড়িকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (৩ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের মামুনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত বাতির মিয়া ওই গ্রামের হুরমত আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সকালে বাতির মিয়া ও তার স্ত্রী রুবিনা আক্তারের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় রুবিনা আক্তার দৌড়ে গিয়ে তার মাকে নিয়ে আসেন। তখন বাতির মিয়ার বসতঘর তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। পরে প্রতিবেশীরা দেখতে পান, বাতির মিয়াকে অর্ধমৃত অবস্থায় স্ত্রী ও শাশুড়ি ধরে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং মৃতের বাড়িতে যায়।

দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মৃতের স্ত্রী ও শাশুড়িকে থানায় আনা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগ:

সুনামগঞ্জে স্বামীর মৃত্যুতে, স্ত্রী ও শাশুড়ি আটক

প্রকাশের সময়: ০২:৪৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে বাতির মিয়া (৪০) নামে দুই সন্তানের জনকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্ত্রী রুবিনা আক্তার (২৮)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্ত্রী ও শাশুড়িকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (৩ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের মামুনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত বাতির মিয়া ওই গ্রামের হুরমত আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সকালে বাতির মিয়া ও তার স্ত্রী রুবিনা আক্তারের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় রুবিনা আক্তার দৌড়ে গিয়ে তার মাকে নিয়ে আসেন। তখন বাতির মিয়ার বসতঘর তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। পরে প্রতিবেশীরা দেখতে পান, বাতির মিয়াকে অর্ধমৃত অবস্থায় স্ত্রী ও শাশুড়ি ধরে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং মৃতের বাড়িতে যায়।

দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মৃতের স্ত্রী ও শাশুড়িকে থানায় আনা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।