ভাটির সিংহপুরুষ সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জন্মবার্ষিকী আজ

ভাটি বাংলার সিংহপুরুষ, উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান, প্রয়াত জননেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ৮০তম জন্মবার্ষিকী আজ।

১৯৪৬ সালের এই দিনে সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার আনোয়ারপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং পরবর্তীতে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নেন।

তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন বর্ষীয়ান নেতা হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। তিনি রেলপথ মন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর বাগ্মিতা, তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সংসদে দৃঢ় অবস্থানের কারণে তিনি সর্বমহলে প্রশংসিত ছিলেন।

রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি আজীবন সোচ্চার ছিলেন। হাওরাঞ্চলের মানুষের উন্নয়নেও তাঁর অবদান বিশেষভাবে স্মরণীয়।

২০১৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়।

ট্যাগ:

ভাটির সিংহপুরুষ সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জন্মবার্ষিকী আজ

প্রকাশের সময়: ১০:৫৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

ভাটি বাংলার সিংহপুরুষ, উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান, প্রয়াত জননেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ৮০তম জন্মবার্ষিকী আজ।

১৯৪৬ সালের এই দিনে সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার আনোয়ারপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং পরবর্তীতে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নেন।

তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন বর্ষীয়ান নেতা হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। তিনি রেলপথ মন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর বাগ্মিতা, তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সংসদে দৃঢ় অবস্থানের কারণে তিনি সর্বমহলে প্রশংসিত ছিলেন।

রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি আজীবন সোচ্চার ছিলেন। হাওরাঞ্চলের মানুষের উন্নয়নেও তাঁর অবদান বিশেষভাবে স্মরণীয়।

২০১৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়।