সিলেটে শীতেও কেন এতো লোডশেডিং

সিলেটে শীতের প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। তবে এখনো চলছে শীত মৌসুম। এখনো ফ্যান ছাড়ার প্রয়োজন পড়েনি। কিন্তু এই শীতকালেও সিলেটে গ্রীস্মকালের মতো লোডশেডিং হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার নগরের জিন্দাবাজার এলাকায় কয়েক দফায় প্রায় ৫ ঘন্টা বিদ্যুৎ ছিলো না। একই অবস্থা নগরের বেশিরভাগ এলাকারই। পুরো মাসজুড়েই এমনটি চলছে। দিনে দফায় দফায় লোডশেডিং হচ্ছে। প্রত্যেকবার বিদ্যুৎ যাওয়ার পর ঘন্টাখানেক বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে। এতে দুর্ভোগ পেহাতে হচ্ছে গ্রাহকদের।শীত মৌসুমে যেখানে বিদ্যুতের চাহিদা কমে তখনও সিলেটে কেন এতো লোডশেডিং?চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায়ই এমনটি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদির। তিনি বলেন, সিলেটে এখন প্রতিদিন চাহিদা ১২০ মেঘাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ মেঘাওয়াট। ফলে প্রায় ৫০ মেঘাওয়াট ঘাটতি থাকছে। শীতেও কেন এতো ঘাটতি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর সংস্কারের কাজ চলছে। এছাড়া গ্যাসের সরবরাহ কম। জ্বালানীও কেনা যাচ্ছে না। এসব কারণে বিদ্যুতের উৎপাদন কমেছে।

আব্দুল কাদির বলেন, দেশে প্রতিদিন গড়ে বিদ্যুতের চাহিদা ১৩ হাজার মেঘাওয়াট কিন্তু উৎপাদন হচ্ছে ১০ হাজার মেঘাওয়াট।তবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অবস্থার কিছু উন্নতি হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, আজকে (বৃহস্পতিবার) বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানের সাথে এ ব্যাপারে বৈঠক হয়েছে। তিনি বলেছেন ১ তারিখ থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।

ট্যাগ:

হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলেও আপাতত বাংলাদেশের চিন্তার কিছু নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

সিলেটে শীতেও কেন এতো লোডশেডিং

প্রকাশের সময়: ০৮:০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

সিলেটে শীতের প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। তবে এখনো চলছে শীত মৌসুম। এখনো ফ্যান ছাড়ার প্রয়োজন পড়েনি। কিন্তু এই শীতকালেও সিলেটে গ্রীস্মকালের মতো লোডশেডিং হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার নগরের জিন্দাবাজার এলাকায় কয়েক দফায় প্রায় ৫ ঘন্টা বিদ্যুৎ ছিলো না। একই অবস্থা নগরের বেশিরভাগ এলাকারই। পুরো মাসজুড়েই এমনটি চলছে। দিনে দফায় দফায় লোডশেডিং হচ্ছে। প্রত্যেকবার বিদ্যুৎ যাওয়ার পর ঘন্টাখানেক বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে। এতে দুর্ভোগ পেহাতে হচ্ছে গ্রাহকদের।শীত মৌসুমে যেখানে বিদ্যুতের চাহিদা কমে তখনও সিলেটে কেন এতো লোডশেডিং?চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায়ই এমনটি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদির। তিনি বলেন, সিলেটে এখন প্রতিদিন চাহিদা ১২০ মেঘাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ মেঘাওয়াট। ফলে প্রায় ৫০ মেঘাওয়াট ঘাটতি থাকছে। শীতেও কেন এতো ঘাটতি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর সংস্কারের কাজ চলছে। এছাড়া গ্যাসের সরবরাহ কম। জ্বালানীও কেনা যাচ্ছে না। এসব কারণে বিদ্যুতের উৎপাদন কমেছে।

আব্দুল কাদির বলেন, দেশে প্রতিদিন গড়ে বিদ্যুতের চাহিদা ১৩ হাজার মেঘাওয়াট কিন্তু উৎপাদন হচ্ছে ১০ হাজার মেঘাওয়াট।তবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অবস্থার কিছু উন্নতি হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, আজকে (বৃহস্পতিবার) বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানের সাথে এ ব্যাপারে বৈঠক হয়েছে। তিনি বলেছেন ১ তারিখ থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।