প্রথম ধাপেই ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছে দিরাইয়ের ৯৬৮ পরিবার

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তিনটি গ্রামে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করতে যাচ্ছে সরকার।

ঈদের আগেই উত্তর সুরিয়ারপাড়, হাতিয়া রাধানগর ও আকিলশাহ গ্রামের বাসিন্দারা এই ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন।

এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ দরিদ্র পরিবারের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে তিনটি গ্রামে জরিপ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। জরিপ অনুযায়ী এসব গ্রামে মোট ৯৬৮টি পরিবার (খানা) রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সনজীব সরকার জানান, যথাযথভাবে জরিপ সম্পন্ন করে সব তথ্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়-এর সফটওয়্যারে পাঠানো হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রথম পর্যায়ে নিম্নবিত্ত ও অতি নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে তিন গ্রামের প্রতিটি পরিবারকে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই তিন গ্রামে বর্তমানে ১১০ জন বিভিন্ন সরকারি ভাতাভোগী রয়েছেন। তাদের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।

স্থানীয়রা বলছেন, ফ্যামিলি কার্ড পেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও বিভিন্ন সরকারি সুবিধা সহজে পাওয়া যাবে, যা তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

প্রথম ধাপেই ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছে দিরাইয়ের ৯৬৮ পরিবার

প্রথম ধাপেই ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছে দিরাইয়ের ৯৬৮ পরিবার

প্রকাশের সময়: ০৬:৩৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তিনটি গ্রামে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করতে যাচ্ছে সরকার।

ঈদের আগেই উত্তর সুরিয়ারপাড়, হাতিয়া রাধানগর ও আকিলশাহ গ্রামের বাসিন্দারা এই ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন।

এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ দরিদ্র পরিবারের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে তিনটি গ্রামে জরিপ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। জরিপ অনুযায়ী এসব গ্রামে মোট ৯৬৮টি পরিবার (খানা) রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সনজীব সরকার জানান, যথাযথভাবে জরিপ সম্পন্ন করে সব তথ্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়-এর সফটওয়্যারে পাঠানো হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রথম পর্যায়ে নিম্নবিত্ত ও অতি নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে তিন গ্রামের প্রতিটি পরিবারকে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই তিন গ্রামে বর্তমানে ১১০ জন বিভিন্ন সরকারি ভাতাভোগী রয়েছেন। তাদের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।

স্থানীয়রা বলছেন, ফ্যামিলি কার্ড পেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও বিভিন্ন সরকারি সুবিধা সহজে পাওয়া যাবে, যা তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।