ডাকসু নেতা জুবায়ের ও মোসাদ্দেককে মারধরের অভিযোগ

রাজধানীর শাহবাগ থানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের দুই নেতা এবি জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তাদের বেশ কয়েকবার মারধর করা হয়।এ ছাড়া ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সাইয়েদুজ্জামান নূর আলভিও মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

জানা যায়, ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জায়মা রহমানকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্যসম্বলিত ছবিকে ঘিরে এই ঘটনার সূত্রপাত। ছড়িয়ে পড়া ছবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির নেতা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের ফেসবুক আইডি থেকে পোস্টটি করতে দেখা গেছে। সন্ধ্যায় তিনি স্ক্রিনশটটিকে ভুয়া দাবি করে শাহবাগ থানায় জিডি করতে গিয়েছিলেন। এ সময় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হন।পরে রাত ৮টার দিকে শাহবাগ থানায় প্রবেশ করেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ। এ সময় আগে থেকে সেখানে অবস্থান করা ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাদের ঘিরে ধরেন।

এ সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়ে।ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাদের দুজনকে কিল-ঘুসি মারতে শুরু করেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।

এ সময় ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে বেশ কয়েকজন সাংবাদিককেও মারধরের শিকার হন।

এ বিষয়ে জানতে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামানের মুঠোফোনে কল দেওয়া হলে তিনি কল কেটে দেন।

ট্যাগ:

ডাকসু নেতা জুবায়ের ও মোসাদ্দেককে মারধরের অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৬:১১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর শাহবাগ থানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের দুই নেতা এবি জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তাদের বেশ কয়েকবার মারধর করা হয়।এ ছাড়া ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সাইয়েদুজ্জামান নূর আলভিও মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

জানা যায়, ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জায়মা রহমানকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্যসম্বলিত ছবিকে ঘিরে এই ঘটনার সূত্রপাত। ছড়িয়ে পড়া ছবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির নেতা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের ফেসবুক আইডি থেকে পোস্টটি করতে দেখা গেছে। সন্ধ্যায় তিনি স্ক্রিনশটটিকে ভুয়া দাবি করে শাহবাগ থানায় জিডি করতে গিয়েছিলেন। এ সময় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হন।পরে রাত ৮টার দিকে শাহবাগ থানায় প্রবেশ করেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ। এ সময় আগে থেকে সেখানে অবস্থান করা ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাদের ঘিরে ধরেন।

এ সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়ে।ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাদের দুজনকে কিল-ঘুসি মারতে শুরু করেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।

এ সময় ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে বেশ কয়েকজন সাংবাদিককেও মারধরের শিকার হন।

এ বিষয়ে জানতে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামানের মুঠোফোনে কল দেওয়া হলে তিনি কল কেটে দেন।