জগন্নাথপুরে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ ২জন কারাগারে

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে আদালতে আত্মসমর্পণের পর জামিন নামঞ্জুর হওয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের দুই নেতাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (০২ আগস্ট) সকালে মমশাদ আহমেদ ও জুম্মান আহমেদকে সুনামগঞ্জ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানান। আদালত শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া দুজন হলেন- জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মমশাদ আহমেদ ও জুম্মান আহমেদ। জগন্নাথপুরে নাশকতা চেষ্টার অভিযোগে করা পুলিশ বাদী মামলায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২৯ অক্টোবর জগন্নাথপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহীন মিয়া বাদী হয়ে নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে ৫২ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় এখন পর্যন্ত পুলিশ ১৪ জনকে গ্রেফতারর করেছে।

মমশাদ আহমেদ ও জুম্মান আহমেদের সমর্থকদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই মামলায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে। আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি সশরীরে হাজিরা দিয়ে জামিন চেয়েছিলেন। তবে আদালত জামিন না দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠিছেন।

ট্যাগ:

সুনামগঞ্জে ২ বালুমহালে উত্তোলনের অনুমতি স্থগিত করলেন হাইকোর্ট

জগন্নাথপুরে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ ২জন কারাগারে

প্রকাশের সময়: ০২:৪৭:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে আদালতে আত্মসমর্পণের পর জামিন নামঞ্জুর হওয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের দুই নেতাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (০২ আগস্ট) সকালে মমশাদ আহমেদ ও জুম্মান আহমেদকে সুনামগঞ্জ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানান। আদালত শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া দুজন হলেন- জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মমশাদ আহমেদ ও জুম্মান আহমেদ। জগন্নাথপুরে নাশকতা চেষ্টার অভিযোগে করা পুলিশ বাদী মামলায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২৯ অক্টোবর জগন্নাথপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহীন মিয়া বাদী হয়ে নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে ৫২ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় এখন পর্যন্ত পুলিশ ১৪ জনকে গ্রেফতারর করেছে।

মমশাদ আহমেদ ও জুম্মান আহমেদের সমর্থকদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই মামলায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে। আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি সশরীরে হাজিরা দিয়ে জামিন চেয়েছিলেন। তবে আদালত জামিন না দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠিছেন।