লন্ডন ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকারি চিকিৎসকদের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৮ নির্দেশনা

রকারি চিকিৎসকদের পেশাগত ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখা ও হাসপাতালের ভেতরে ওষুধ কোম্পানির অযাচিত প্রভাব ঠেকাতে আট দফা নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

জনআস্থা বজায় রাখা, সেবার মান উন্নত করা এবং হাসপাতালগুলোতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এ নির্দেশনা কঠোরভাবে মানার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. এ বি এম আবু হানিফ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনার মূল দিকগুলো হলো-

১. কোনো অবস্থাতেই বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক বা ওষুধ কোম্পানির নামাঙ্কিত প্যাডে প্রেসক্রিপশন বা পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া যাবে না।

২. সরকারি হাসপাতালে যে পরীক্ষা ও ওষুধ পাওয়া যায়, তা বাইরের প্রতিষ্ঠান থেকে করাতে বা কিনতে রোগীকে বলা যাবে না।

৩. সরকার অনুমোদিত বা সরবরাহকৃত সিল ছাড়া অন্য কোনো বেসরকারি সিল ব্যবহার করা যাবে না। তবে জেনেরিক নামের বিজ্ঞাপনবিহীন সিল ব্যবহার করা যাবে।

৪. ওষুধ কোম্পানির সরবরাহ করা ওষুধের তালিকা সরকারি হাসপাতালের টেবিলে রাখা যাবে না।

৫. কোনো কোম্পানির প্রতিনিধি রোগীর প্রেসক্রিপশন বা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ বা ছবি তুলতে পারবেন না।

৬. সপ্তাহে নির্ধারিত দুই দিন- সোমবার ও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত প্রতিনিধিরা চিকিৎসকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন।

৭. এ সময়ের বাইরে হাসপাতালে অবস্থান করলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৮. সাক্ষাতের সময় কোম্পানি কর্তৃক প্রদত্ত আইডি কার্ড অবশ্যই দৃশ্যমান স্থানে রাখতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি ও চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারি সেবার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা অক্ষুণ্ন রাখতে এসব নিয়ম মানার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

‘বট’ আইডির কুরুচিপূর্ণ লেখালেখি-ছাত্রদল নেতা মুর্শেদের পক্ষে দাঁড়ালেন বিএনপি নেতারা

সরকারি চিকিৎসকদের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৮ নির্দেশনা

প্রকাশের সময়: ০৯:২০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রকারি চিকিৎসকদের পেশাগত ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখা ও হাসপাতালের ভেতরে ওষুধ কোম্পানির অযাচিত প্রভাব ঠেকাতে আট দফা নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

জনআস্থা বজায় রাখা, সেবার মান উন্নত করা এবং হাসপাতালগুলোতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এ নির্দেশনা কঠোরভাবে মানার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. এ বি এম আবু হানিফ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনার মূল দিকগুলো হলো-

১. কোনো অবস্থাতেই বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক বা ওষুধ কোম্পানির নামাঙ্কিত প্যাডে প্রেসক্রিপশন বা পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া যাবে না।

২. সরকারি হাসপাতালে যে পরীক্ষা ও ওষুধ পাওয়া যায়, তা বাইরের প্রতিষ্ঠান থেকে করাতে বা কিনতে রোগীকে বলা যাবে না।

৩. সরকার অনুমোদিত বা সরবরাহকৃত সিল ছাড়া অন্য কোনো বেসরকারি সিল ব্যবহার করা যাবে না। তবে জেনেরিক নামের বিজ্ঞাপনবিহীন সিল ব্যবহার করা যাবে।

৪. ওষুধ কোম্পানির সরবরাহ করা ওষুধের তালিকা সরকারি হাসপাতালের টেবিলে রাখা যাবে না।

৫. কোনো কোম্পানির প্রতিনিধি রোগীর প্রেসক্রিপশন বা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ বা ছবি তুলতে পারবেন না।

৬. সপ্তাহে নির্ধারিত দুই দিন- সোমবার ও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত প্রতিনিধিরা চিকিৎসকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন।

৭. এ সময়ের বাইরে হাসপাতালে অবস্থান করলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৮. সাক্ষাতের সময় কোম্পানি কর্তৃক প্রদত্ত আইডি কার্ড অবশ্যই দৃশ্যমান স্থানে রাখতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি ও চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারি সেবার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা অক্ষুণ্ন রাখতে এসব নিয়ম মানার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।