চোখের জলে শেষ বিদায় কুলঞ্জের সেলিম চৌধুরীর সহধর্মিণীর: যিনি জয় করেছিলেন মানুষের মন

দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরী এমপির ছোট ভাই সেলিম চৌধুরীর সহধর্মিণী আনজু চৌধুরীকে চোখের জলে শেষ বিদায় জানিয়েছেন স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় কুলঞ্জ শাহী ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে শত শত মানুষ অংশ নেন। পরে কুলঞ্জ গ্রামের কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

জানাজায় অংশ নেওয়া স্থানীয়দের অনেকেই আনজু চৌধুরীর সঙ্গে তাঁদের ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ করেন। তাঁদের ভাষ্য, তিনি ছিলেন অত্যন্ত অমায়িক, সদালাপী ও অতিথিপরায়ণ একজন মানুষ। তাঁর আচরণে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সহজেই মুগ্ধ হতেন।

স্থানীয়রা জানান, রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হওয়ায় বিভিন্ন প্রয়োজনে অনেক মানুষ তাঁর পরিবারের দ্বারস্থ হতেন। এ সময় আনজু চৌধুরীর আন্তরিকতা, সৌজন্যবোধ ও সুন্দর ব্যবহারে সবাই সন্তুষ্ট হতেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি মানুষের সঙ্গে অত্যন্ত আপন করে মিশতেন এবং অতিথি আপ্যায়নেও তাঁর সুনাম ছিল।

তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই কুলঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে ও জানাজায় অংশ নিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ছুটে আসেন। জানাজা শেষে যখন প্রিয়জনকে কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন স্বজন ও স্থানীয়দের অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।

স্থানীয়দের ভাষায়, ‘ভালো ব্যবহার ও আন্তরিকতার কারণে আনজু চৌধুরী মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। তাই তাঁর বিদায়ের দিনে কুলঞ্জের মানুষও চোখের জলে তাঁকে শেষ বিদায় জানিয়েছে।’

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

নতুন ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কে কোন মন্ত্রণালয় পাচ্ছেন

চোখের জলে শেষ বিদায় কুলঞ্জের সেলিম চৌধুরীর সহধর্মিণীর: যিনি জয় করেছিলেন মানুষের মন

প্রকাশের সময়: ১০:৩১:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরী এমপির ছোট ভাই সেলিম চৌধুরীর সহধর্মিণী আনজু চৌধুরীকে চোখের জলে শেষ বিদায় জানিয়েছেন স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় কুলঞ্জ শাহী ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে শত শত মানুষ অংশ নেন। পরে কুলঞ্জ গ্রামের কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

জানাজায় অংশ নেওয়া স্থানীয়দের অনেকেই আনজু চৌধুরীর সঙ্গে তাঁদের ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ করেন। তাঁদের ভাষ্য, তিনি ছিলেন অত্যন্ত অমায়িক, সদালাপী ও অতিথিপরায়ণ একজন মানুষ। তাঁর আচরণে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সহজেই মুগ্ধ হতেন।

স্থানীয়রা জানান, রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হওয়ায় বিভিন্ন প্রয়োজনে অনেক মানুষ তাঁর পরিবারের দ্বারস্থ হতেন। এ সময় আনজু চৌধুরীর আন্তরিকতা, সৌজন্যবোধ ও সুন্দর ব্যবহারে সবাই সন্তুষ্ট হতেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি মানুষের সঙ্গে অত্যন্ত আপন করে মিশতেন এবং অতিথি আপ্যায়নেও তাঁর সুনাম ছিল।

তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই কুলঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে ও জানাজায় অংশ নিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ছুটে আসেন। জানাজা শেষে যখন প্রিয়জনকে কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন স্বজন ও স্থানীয়দের অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।

স্থানীয়দের ভাষায়, ‘ভালো ব্যবহার ও আন্তরিকতার কারণে আনজু চৌধুরী মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। তাই তাঁর বিদায়ের দিনে কুলঞ্জের মানুষও চোখের জলে তাঁকে শেষ বিদায় জানিয়েছে।’