দিরাইয়ে নদীতে ভাসমান নারীর লাশ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্ত

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় মরা সুরমা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত এক নারীর পরিচয় শনাক্ত হয়েছে।

তার নাম লাকি বেগম (৩০)। তিনি উপজেলার জগদল ইউনিয়নের জগদল গ্রামের মৃত আব্দুশ শহিদ মিয়ার মেয়ে।

সোমবার দুপুরে উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের রজনীগঞ্জ (টানাখালী) বাজার সংলগ্ন মরা সুরমা নদী থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে রজনীগঞ্জ (টানাখালী) বাজারের পাশের নদীতে এক নারীর লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। পরে দিরাই থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে স্বজনেরা এসে লাশের পরিচয় নিশ্চিত করেন।

স্বজনদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, লাকি বেগমের মা-বাবা ও কোনো ভাই-বোন নেই। তিনি ছিলেন স্বামী পরিত্যক্তা ও নিঃসন্তান। প্রায় ১১ মাস ধরে তিনি শান্তিগঞ্জ উপজেলার সলফ গ্রামের কামাল মিয়ার বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।

দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে এবং পরে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

দিরাইয়ে নদীতে ভাসমান নারীর লাশ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্ত

প্রকাশের সময়: ০২:২১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় মরা সুরমা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত এক নারীর পরিচয় শনাক্ত হয়েছে।

তার নাম লাকি বেগম (৩০)। তিনি উপজেলার জগদল ইউনিয়নের জগদল গ্রামের মৃত আব্দুশ শহিদ মিয়ার মেয়ে।

সোমবার দুপুরে উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের রজনীগঞ্জ (টানাখালী) বাজার সংলগ্ন মরা সুরমা নদী থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে রজনীগঞ্জ (টানাখালী) বাজারের পাশের নদীতে এক নারীর লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। পরে দিরাই থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে স্বজনেরা এসে লাশের পরিচয় নিশ্চিত করেন।

স্বজনদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, লাকি বেগমের মা-বাবা ও কোনো ভাই-বোন নেই। তিনি ছিলেন স্বামী পরিত্যক্তা ও নিঃসন্তান। প্রায় ১১ মাস ধরে তিনি শান্তিগঞ্জ উপজেলার সলফ গ্রামের কামাল মিয়ার বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।

দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে এবং পরে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।