দুই প্রধানমন্ত্রী বসলে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব: ভারতীয় হাইকমিশনার

ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কে সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ থাকলেও দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে বসলে সেগুলোর সমাধান সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

আজ বুধবার সচিবালয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, উভয় পক্ষই বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ও তাঁদের টিমকে প্রয়োজনীয় সময় দিতে হবে। একসময় দুই দেশের নেতারা একসঙ্গে বসবেন এবং তখন বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ থাকা স্বাভাবিক। কোনো চ্যালেঞ্জ থাকবে না, এমনটা ভাবা ঠিক হবে না। তবে দুই নেতা একসঙ্গে বসলে এমন কোনো প্রশ্ন নেই, যার সমাধান সম্ভব নয়। সঠিক সময়ে সফর ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো প্রক্রিয়াধীন হবে।

এর আগের দিন মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতের হাইকমিশনার। সেখানে নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের সম্ভাব্য তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভারতের আমন্ত্রণ খোলা আছে। তবে এ নিয়ে তাড়াহুড়োর প্রয়োজন নেই। সময় হলে সফর হবে।

দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, নেতাদের পাশাপাশি দুই দেশের মানুষের যোগাযোগও বাড়াতে হবে। পানি, ক্রিকেট, ফুটবল, বাণিজ্য, কবিতা, থিয়েটার, চলচ্চিত্র ও সংগীতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পর্ক আরও গভীর হওয়া দরকার। এ ধরনের যোগাযোগ দুই দেশের পারস্পরিক নির্ভরতা বাড়ায়।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করলে দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, দুই দেশের সাধারণ মানুষই একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে আগ্রহী।

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের ঢাকা সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তা এড়িয়ে যান দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, ‘এটা তো মাথার ওপর দিয়ে গেল।’

এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, এটি হাইকমিশনারের সঙ্গে তাঁর সৌজন্য সাক্ষাৎ।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ এবং পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থান ঘিরে ভাস্কর্য নির্মাণের পরিবর্তে পানির ফোয়ারা তৈরির উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে ‘ভুলভাবে’ উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।

ট্যাগ:

দুই প্রধানমন্ত্রী বসলে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব: ভারতীয় হাইকমিশনার

প্রকাশের সময়: ০২:০৫:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কে সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ থাকলেও দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে বসলে সেগুলোর সমাধান সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

আজ বুধবার সচিবালয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, উভয় পক্ষই বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ও তাঁদের টিমকে প্রয়োজনীয় সময় দিতে হবে। একসময় দুই দেশের নেতারা একসঙ্গে বসবেন এবং তখন বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ থাকা স্বাভাবিক। কোনো চ্যালেঞ্জ থাকবে না, এমনটা ভাবা ঠিক হবে না। তবে দুই নেতা একসঙ্গে বসলে এমন কোনো প্রশ্ন নেই, যার সমাধান সম্ভব নয়। সঠিক সময়ে সফর ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো প্রক্রিয়াধীন হবে।

এর আগের দিন মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতের হাইকমিশনার। সেখানে নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের সম্ভাব্য তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভারতের আমন্ত্রণ খোলা আছে। তবে এ নিয়ে তাড়াহুড়োর প্রয়োজন নেই। সময় হলে সফর হবে।

দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, নেতাদের পাশাপাশি দুই দেশের মানুষের যোগাযোগও বাড়াতে হবে। পানি, ক্রিকেট, ফুটবল, বাণিজ্য, কবিতা, থিয়েটার, চলচ্চিত্র ও সংগীতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পর্ক আরও গভীর হওয়া দরকার। এ ধরনের যোগাযোগ দুই দেশের পারস্পরিক নির্ভরতা বাড়ায়।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করলে দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, দুই দেশের সাধারণ মানুষই একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে আগ্রহী।

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের ঢাকা সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তা এড়িয়ে যান দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, ‘এটা তো মাথার ওপর দিয়ে গেল।’

এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, এটি হাইকমিশনারের সঙ্গে তাঁর সৌজন্য সাক্ষাৎ।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ এবং পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থান ঘিরে ভাস্কর্য নির্মাণের পরিবর্তে পানির ফোয়ারা তৈরির উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে ‘ভুলভাবে’ উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।