দেখার হাওরের ছাইয়া কিত্তা বাঁধে ধস: ফসলরক্ষা নিয়ে কৃষকদের উদ্বেগ

শান্তিগঞ্জ উপজেলার দেখার হাওরের ছাইয়া কিত্তা ফসলরক্ষা বাঁধের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ধস নেমেছে, যা হাওরপাড়ের কৃষকদের মাঝে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

জানা গেছে, ৫৫ নম্বর পিআইসি প্রকল্পের অধীনে ১২২৫ মিটার বাঁধের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। তিন বছর আগে বর্ষা মৌসুমে মহাসিং নদীর তীর থেকে রাতের আঁধারে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের ফলে বাঁধের দুই পাশে গভীর গর্ত সৃষ্টি হয়। বর্তমানে বাঁধের দুই পাশে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে এবং মাটি ধসে পড়ছে। একই ধরনের ধস ৪৯, ৫৩ ও ৫৪ নম্বর প্রকল্পের বাঁধেও দেখা গেছে।

৫৫ নম্বর পিআইসি কমিটির সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসাইন নোমান জানান, “আমাদের কাজের বাইরের একটি অংশে এই ফাটল দেখা দিয়েছে। এ অংশে নতুন করে কাজ করতে হবে।” ৪৯ নম্বর প্রকল্পের সভাপতি সফিকুর রহমান জানান, “অপরিকল্পিতভাবে পানি নেমে যাওয়ার কারণে নদীর তীরে বড় গর্ত হয়েছে, যা বাঁধের ক্ষতির মূল কারণ।”

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মমিন মিয়া বলেন, “দেখার হাওরের ছাইয়া কিত্তা বাঁধসহ অন্যান্য বাঁধ পরিদর্শন করেছি। দ্রুতই গাছের ভল্লি ও জিও ব্যাগ ব্যবহারের মাধ্যমে মেরামতকাজ সম্পন্ন করা হবে এবং ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাঁধের পুনর্নির্মাণ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।”

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

শান্তিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় আনসার সদস্য নিহত

দেখার হাওরের ছাইয়া কিত্তা বাঁধে ধস: ফসলরক্ষা নিয়ে কৃষকদের উদ্বেগ

প্রকাশের সময়: ০৮:৪২:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

শান্তিগঞ্জ উপজেলার দেখার হাওরের ছাইয়া কিত্তা ফসলরক্ষা বাঁধের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ধস নেমেছে, যা হাওরপাড়ের কৃষকদের মাঝে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

জানা গেছে, ৫৫ নম্বর পিআইসি প্রকল্পের অধীনে ১২২৫ মিটার বাঁধের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। তিন বছর আগে বর্ষা মৌসুমে মহাসিং নদীর তীর থেকে রাতের আঁধারে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের ফলে বাঁধের দুই পাশে গভীর গর্ত সৃষ্টি হয়। বর্তমানে বাঁধের দুই পাশে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে এবং মাটি ধসে পড়ছে। একই ধরনের ধস ৪৯, ৫৩ ও ৫৪ নম্বর প্রকল্পের বাঁধেও দেখা গেছে।

৫৫ নম্বর পিআইসি কমিটির সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসাইন নোমান জানান, “আমাদের কাজের বাইরের একটি অংশে এই ফাটল দেখা দিয়েছে। এ অংশে নতুন করে কাজ করতে হবে।” ৪৯ নম্বর প্রকল্পের সভাপতি সফিকুর রহমান জানান, “অপরিকল্পিতভাবে পানি নেমে যাওয়ার কারণে নদীর তীরে বড় গর্ত হয়েছে, যা বাঁধের ক্ষতির মূল কারণ।”

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মমিন মিয়া বলেন, “দেখার হাওরের ছাইয়া কিত্তা বাঁধসহ অন্যান্য বাঁধ পরিদর্শন করেছি। দ্রুতই গাছের ভল্লি ও জিও ব্যাগ ব্যবহারের মাধ্যমে মেরামতকাজ সম্পন্ন করা হবে এবং ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাঁধের পুনর্নির্মাণ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।”